• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • দেশের সংকটে অক্সিজেন এগিয়ে দিয়েছেন, আম্বানি, টাটা, জিন্দল গোষ্ঠীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ CAIT

দেশের সংকটে অক্সিজেন এগিয়ে দিয়েছেন, আম্বানি, টাটা, জিন্দল গোষ্ঠীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ CAIT

দেশে নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন পরিষেবা বজায় রাখতে এগিয়ে এলেন শিল্পপতিরাই।

দেশে নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন পরিষেবা বজায় রাখতে এগিয়ে এলেন শিল্পপতিরাই।

বি সি ভারতী ও মাননীয় প্রবীণ খাণ্ডেলওয়াল এদিন বলেন, ওঁরা (এই শিল্পপতিরা) প্রমাণ করেছেন সবার আগে ওঁরা ভূমিপুত্র।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: সংকটকালে অক্সিজনে সরবরাহ অটুট রাখার জন্য দেশের অগ্রণী সংস্থাগুলিকে মুক্তকণ্ঠে সাধুবাদ জানাল দ্য কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ট্রেডার্স (CAIT)।

    সিএআইটি-র সভাপতি মাননীয় বি সি ভারতী ও সাধারণ সম্পাদক মাননীয় প্রবীণ খাণ্ডেলওয়াল বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথাতে বহু সংস্থা ঝাঁপিয়ে পড়েছে যাতে দেশজোড়া চাহিদার মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে অক্সিজেনের জোগান নিরবিচ্ছিন্ন থাকে তা নিশ্চিত করতে। সাহায্যকারীদের তালিকায় রয়েছেন রিলায়েন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান শ্রী মুকেশ আম্বানি, টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী রতন টাটা, জিন্দল গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী নবীন জিন্দল, বেদান্ত গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী অনিল আগরওয়াল, ইন্ডিয়ান ওয়েল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাধব বৈদ্য, ভারত পেট্রোলিয়ামের চেয়ারম্যান শ্রী কে পদ্মাকর,স্টিল অথারিটি অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান সোমা মণ্ডল, জেএসডব্লিউ গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী সাজ্জন জিন্দল এবং আরও বহু উদ্যোপতি।

    বি সি ভারতী ও মাননীয় প্রবীণ খাণ্ডেলওয়াল এদিন বলেন, "ওঁরা (এই শিল্পপতিরা) প্রমাণ করেছেন সবার আগে ওঁরা ভূমিপুত্র। যখন দেশজুড়ে অক্সিজেন সংকট, গোটা জাতির কপালে চিন্তার ভাঁজ তখনই ওঁরা স্বতপ্রণোদিত ভাবে এগিয়ে এসেছেন। স্বাস্থ্যখাতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করেছেন।" তাঁরা আরও বলেন, "কর্পোরেট ভারতের সঙ্গে আমাদের কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু আজ তারা যখন এভাবে গোটা জাতির পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, মুক্তকণ্ঠে ধন্যবাদ দেওয়াটাও জরুরি।"

    এ দিন বি সি ভারতী মনে করিয়ে দেন, এটা এমন একটা সময় যখন কোনও বিদেশি বহুজাতিক সংস্থাই এই দেশকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসেনি। অথচ এই দেশেই বহু আইন ভেঙে তারা বছরের পর বছর ব্যবসা চালিয়ে যায় এবং লাভের অঙ্ক ঘরে নিয়ে যায়।

    Published by:Arka Deb
    First published: