• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • BOMBAY HIGH COURT SAID THAT MISREPRESENTING MANGALIK STATUS NOT GROUNDS FOR DIVORCE PB

মাঙ্গলিক বলে ডিভোর্স হতে পারে না , বিবাহবিচ্ছেদের দাবি খারিজ বম্বে হাইকোর্টের!

প্রচলিত বিশ্বাস মাঙ্গলিক ব্যক্তিরা স্ত্রী বা স্বামীর অপঘাতে মৃত্যুর কারণ হয়। এই ভেবেই বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন ওই ব্যক্তি।

প্রচলিত বিশ্বাস মাঙ্গলিক ব্যক্তিরা স্ত্রী বা স্বামীর অপঘাতে মৃত্যুর কারণ হয়। এই ভেবেই বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন ওই ব্যক্তি।

  • Share this:

#মুম্বই: স্ত্রী মাঙ্গলিক। বিয়ের আগে সে কথা লুকিয়ে বিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর পরিবার। অমাঙ্গলিক বলে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই সময়ে। তার জন্য জন্মতারিখও মিথ্যে বলেছিলেন বলে অভিযোগ। যার সত্যতা জানার পর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মুম্বইয়ের এক ব্যক্তি। যা খারিজ করল বম্বে হাইকোর্ট।

রাশি, তিথি-নক্ষত্র, গোত্র, ঠিকুজি এই সব মিলিয়ে বিয়ে হওয়ার চল রয়েছে। এই বিষয়টি সমাজের একটা অংশ বিশ্বাস না করলেও আরেকটা অংশ বিশ্বাস করে। ফলে এই বিষয়টি অনেক জায়গায়ই চলে। মাঙ্গলিক, অমাঙ্গলিক, রাশি, গণ এই সব দেখা হয়।

এভাবেই ঠিকুজি মিলিয়ে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন মুম্বইয়ের ওই ব্যক্তি। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, স্ত্রী'কে অমাঙ্গলিক বলে বিয়ে দেওয়া হয়। যেখানে তিনি মাঙ্গলিক ছিলেন। পরে স্ত্রী'র জন্ম তারিখ জেনে যাওয়ায় গণ্ডগোল বাধে। ব্যক্তি জানতে পারেন, মহিলা মাঙ্গলিক, তাই তাঁর সঙ্গে আর সংসার করা যাবে না। প্রচলিত বিশ্বাস- মাঙ্গলিক ব্যক্তিরা স্ত্রী/স্বামীর অপঘাতে মৃত্যুর কারণ হয়। এই ভেবেই বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন ওই ব্যক্তি।

প্রথমে ফ্যামিলি কোর্টে আবেদন জানালে বিষয়টি খারিজ হয়ে যায়। পরে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। বিচারক এএস চান্দুরকর ও বিচারক এন বি সূর্যবংশীর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। জানানো হয়, মাঙ্গলিক হওয়া বা অন্য জন্মতারিখ বলা কোনও হিংসাত্মক বিষয় নয়।

বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, যদিও কোনও মানুষ নিজের জন্মতারিখ ভুল বলে থাকেন বা নিজেকে মাঙ্গলিক না বলে থাকেন, এই ভুল তথ্যে কখনও বৈবাহিক সম্পর্ক খারাপ হতে পারে না। এই বিষয়গুলি বৈবাহিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে না।

আদালত জানায়, যে দাবি ব্যক্তি করেছেন, তাতে নিজেই তিনি প্রমাণ করতে পারেননি যে স্ত্রী মাঙ্গলিক। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, স্ত্রী'র পরিবারের তরফে তাঁকে ঠকানো হয়েছে।

এদিকে, মহিলা জানিয়েছেন, শ্বশুরবাড়ির তরফে অনেকেই তাঁর উপের অত্যাচার চালায়। শারীরিক, মানসিক দুই ভাবেই। তাঁকে বাড়ি থেকে তাড়িয়েও দেয় তারা। তবে, এর পরও তিনি স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে প্রস্তুত। সব ঠিকঠাক করে মিটিয়ে নিতে প্রস্তুত। এবং চান, বিবাহবিচ্ছেদ যেন না হয়!

তবে, ব্যক্তি আদালতকে জানান, শুধু রাশি দেখে বা ঠিকুজি দেখে তিনি এই বিবাহ করেননি। পরিবার, সংস্কৃতি-সহ অন্যান্য অনেক কিছু দেখা হয়েছিল দুই পরিবারের তরফেই।

সেই সূত্র ধরেই আদালত তাঁকে জানায়, মাঙ্গলিক বা অমাঙ্গলিক এই বিষয়টি একেবারেই তাঁর বিপরীতে যায়নি। কারণ বিয়ের আগে তিনি বেসরকারি চাকরি করতেন কিন্তু বিয়ের পর সরকারি চাকরি পেয়ে যান ফলে, পুরো অভিযোগ ও আবেদন খারিজ হয়ে যায় আদালতে।

Published by:Piya Banerjee
First published: