• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • BABA KA DHABA OLD TUSSLE BETWEEN KANTA PRASAD AND FOOD BLOGGER GAURAV WASAN IS OVER NOW ARC

Baba Ka Dhaba: ‘চুরির অভিযোগ’ করা বৃদ্ধকে আলিঙ্গন ব্লগারের, টানাপড়েনের মধুরেণ সমাপয়েৎ

সস্ত্রীক কান্তা প্রসাদের সঙ্গে ফুডব্লগার গৌরব ওয়াসন, ছবি-ট্যুইটার

‘ বাবা কা ধাবা’ (Baba Ka Dhaba) পর্বে অবশেষে হাসিমুখ ৷ নানা ওঠানামা পেরিয়ে মধুরেণ সমাপয়েৎ ধাবামালিক এবং ফুডব্লগারের সম্পর্কের টানাপড়েনে ৷

  • Share this:

    দিল্লি : ‘ বাবা কা ধাবা’ (Baba Ka Dhaba) পর্বে অবশেষে হাসিমুখ ৷ গত বছর অতিমারি থেকে এই ধাবা ঘিরে শুরু হয়েছিল চর্চা ৷ সম্প্রতি আবার তা খবরে শিরোনামে এসেছিল ৷ নানা ওঠানামা পেরিয়ে মধুরেণ সমাপয়েৎ ধাবামালিক এবং ফুডব্লগারের সম্পর্কের টানাপড়েনে ৷

    ফুডব্লগার গৌরব ওয়াসনের ভিডিয়ো গত বছর নজর কেড়েছিল নেটিজেনদের ৷ তাঁর দৌলতে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিল এক বৃদ্ধ দম্পতির প্রয়াস ৷ গৌরবের শেয়ার করা ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছিল দক্ষিণ দিল্লির এক প্রবীণ কান্তা প্রসাদ এবং তাঁর স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়েছেন ৷ কারণ অতিমারিতে তাঁদের ‘বাবা কা ধাবা’ চলছিল না ৷ তাঁদের অহায়তায় মন দ্রব হয় নেটিজেনদের ৷ অকাতরে সাহায্য পৌঁছয় তাঁদের নামে ৷ ধাবায় ক্রেতাদের লাইন লম্বা হয় ৷

    ভাইরাল হয়ে যাওয়া ‘বাবা কা ধাবা’-র জন্য দেশের নানা প্রান্ত থেকে বড় অঙ্কের অনুদান এসে জমা হয় ৷ কিন্তু এর পরই অন্য দিকে ঘুরে যায় ঘটনপ্রবাহ ৷ ব্লগার গৌরবের বিরুদ্ধে অর্থ লোপাটের অভিযোগ তুলেছিলেন কান্তা প্রাসাদ ৷ অভিযোগের উত্তরে বার বার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন গৌরব ৷ প্রমাণস্বরূপ এনেছিলেন নিজের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টও ৷

    অন্যদিকে তাঁর নামে জমা হওয়া বিশাল অনুদান দিয়ে অশীতিপর কান্তা প্রসাদ দিল্লির মালব্যনগরে একটি রেস্তরাঁ খোলেন ৷ এই এলাকাতেই তিন দশক ধরে রাস্তার ধরে ছোট্ট দোকানে খাবার বেচতেন তিনি ৷ আবার সেই পুরনো দোকানেই ফিরে গিয়েছেন তিনি ৷ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে রেস্তরাঁর স্বপ্নের ৷

    কান্তাপ্রসাদের দাবি, রেস্তরাঁয় ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সব খরচ মিটিয়ে তাঁরা উপার্জন করেছেন মাত্র ৩৫ হাজার টাকা ৷ তাই লোকসানের বোঝা বইতে না পেরে আবার ফিরে গিয়েছেন পুরনো দোকানেই ৷

    সেইসঙ্গে ব্লগারের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি ৷ হাতজোড় করে বলেছেন, গৌরব ওয়াসন কোনও অর্থ তছরূপ করেননি ৷ তাঁরা কোনওদিন তাঁকে চোর বলেননি ৷ অন্য এক ফুড ব্লগার শেয়ার করেছেন এই ভিডিয়ো ৷ বৃদ্ধ দম্পতিকে কাছে টেনে নিয়েছেন গৌরব-ও ৷ তাঁদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে তিনি যা ট্যুইট করেছেন তার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘সব ভাল যার শেষ ভাল’৷ তাঁর কথায়, ‘‘ভুল করার থেকেও গুরুত্বপূ্র্ণ হলেন ভুল যিনি ক্ষমা করে দেন, তিনি৷ আমার বাবা আমাকে এটাই শিখিয়েছেন৷’’

    বৃদ্ধ কান্তা প্রসাদ ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন, যত দিন বাঁচবেন, তাঁর ছোট্ট দোকানটি তিনি চালিয়ে নিয়ে যাবেন ৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: