• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • রাম মন্দির নির্মাণের খরচ ১১০০ কোটি টাকার থেকে কম নয়, জানিয়ে দেওয়া হল সাংবাদিক বৈঠকে

রাম মন্দির নির্মাণের খরচ ১১০০ কোটি টাকার থেকে কম নয়, জানিয়ে দেওয়া হল সাংবাদিক বৈঠকে

রাম মন্দির নির্মাণের খরচ ১১০০ কোটি টাকা, জানিয়ে দেওয়া হল সাংবাদিক বৈঠকে

রাম মন্দির নির্মাণের খরচ ১১০০ কোটি টাকা, জানিয়ে দেওয়া হল সাংবাদিক বৈঠকে

মূল রাম মন্দিরটি নির্মাণের জন্য ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি খরচ হবে৷ কিন্তু পুরো কমপ্লেক্স মিলিয়ে খরচের পরিমাণ ১১০০ কোটি ছুঁয়ে ফেলবে৷ তার চেয়ে কম নয়৷ ইতিমধ্যেই রাম মন্দির বানানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়ছে৷

  • Share this:

    #অযোধ্যা: অযোধ্যায় বহু প্রতীক্ষিত রাম মন্দির নির্মাণের আনুমানিক খরচের একটা হিসাব এল সামনে৷ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মন্দিরের চূড়ান্ত নকশা তৈরি হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে৷ সাড়ে তিন বছরের মধ্যে আকাশ ছোঁওয়া এই মন্দিরের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে৷

    পুরো প্রকল্পের দেখভাল করছে রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট৷ সোমবার এই সংগঠনের পক্ষ থেকে কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরিজি মহারাজ সাংবাদিক বৈঠক করলেন৷ তিনি জানালেন রাম মন্দির তৈরিতে খরচ হবে "১১০০ কোটি টাকা৷ এর চেয়ে কম নয়৷"

    মহারাজা জানান যে, মূল রাম মন্দিরটি নির্মাণের জন্য ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি খরচ হবে৷ কিন্তু পুরো কমপ্লেক্স মিলিয়ে খরচের পরিমাণ ১১০০ কোটি ছুঁয়ে ফেলবে৷ তার চেয়ে কম নয়৷ ইতিমধ্যেই রাম মন্দির বানানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়ছে৷

    কমপ্লেক্সের শক্তিশালী নকশা বানানোর জন্য মুম্বই, দিল্লি, মাদ্রাস, গুয়াহাটি ও ররকির আইআইটি-র বিশেষজ্ঞদের ডাক দেওয়া হয়েছে৷ পাশাপাশি সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট, এলঅ্যান্ডটি ও টাটার বিশেষ ইঞ্জিনিয়াররাও কাজ করছেন৷

    কেন্দ্রের তৈরি করা রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টে এখনও পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকার অনুদান জমা পড়েছে অনলাইনে৷ মহারাজ জানিয়েছেন যে, তাঁরা ৪ লক্ষ গ্রাম ও ১১ কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছে যাবেন অনুদান সংগ্রহের জন্য৷ চলবে গণ অভিযান৷ কিছু দিন আগেই অফিসও খোলা হয়েছে৷ যেখানে এসে মানুষ অনুদান দিয়ে যেতে পারবেন৷

    ১৪১ ফুটের বদলে ১৬১ ফুট উঁচু হবে মন্দির৷ মূল মন্দির দো-তলার পরিবর্তে তিনতলা হবে। রাম মন্দিরের মোট এলাকা ৭০ একর। ২১২ থেকে এখন পিলারের সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৬০টি করা হয়েছে৷ তিনটি গম্বুজের বদলে এখন পাঁচটি গম্বুজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ মনে করা হচ্ছে ২০২৪-এর দোলের দিন এই মন্দির সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে৷

    Published by:Subhapam Saha
    First published: