বিয়ের পিঁড়ি ছেড়ে পালিয়েছিলেন বউ, ফিরে এসে প্রেমিকের হাতে পরলেন সিঁদুর!

শৌচালয় যাওয়ার নাম করে পাত্রী পালিয়ে যান বিয়ের মন্ডপ থেকে৷ পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, প্রমিক চৌতন পটেলের সঙ্গে পালিয়েছেন তিনি৷

শৌচালয় যাওয়ার নাম করে পাত্রী পালিয়ে যান বিয়ের মন্ডপ থেকে৷ পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, প্রমিক চৌতন পটেলের সঙ্গে পালিয়েছেন তিনি৷

  • Share this:

    #লখনউ: উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূট৷ মেয়ের বিয়ের সব তোড়জোর করেছিল পরিবার৷ কন্যাও বিয়ের জন্য তৈরি হয়েছিলেন৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিয়েটা হয়নি৷ কারণ কনে পালিয়েছিলেন বিয়ের মন্ডপ (bride fled on marriage day) থেকে৷ প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছিলেন তিনি৷ তারপর তিনি ফিরলেন প্রেমিকের হাত ধরে (Eloped with lover)৷ এলেন স্থানীয় থানায় এবং সেখানেই প্রেমিকের হাতে পরলেন সিঁদুর৷ এভাবে বিয়ে হল দু’জনের৷ থানাতেই মালা বদলও হয় এই জুটির (Viral News)৷

    মউ থানা (Mou Uttar Pradesh) অন্তর্গত মাভাই খুরদ গ্রামে শত্রুঘ্ন নামে এক ব্যক্তি সুরুন্ধা গ্রামের অজয় ​​নামে এক ছেলের সঙ্গে তার মেয়ে রানির বিয়ে ঠিক করেছিলেন। ২৯ শে মে নাচ, গান, হৈ হুল্লোড় করে অজয় বিয়ের জন্য পাত্রীর ​​গ্রামে পৌঁছন। বিয়ের আচর রাতেই হয়েছিল৷ বাকি ছিল শুধু পাত্রের হাতে সিঁদুরদান৷ সে সব করার আগে, শৌচালয় যাওয়ার নাম করে পাত্রী পালিয়ে যান বিয়ের মন্ডপ থেকে৷ পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, প্রমিক চৌতন পটেলের সঙ্গে পালিয়েছেন তিনি৷ তখন রীতিমতো গ্রামে শোরগোল পড়ে যায়৷ এভাবে বিয়ের মন্ডপ থেকে পালানোর ফলে পাত্রীর পরিবার খুবই অস্বস্তিতে পড়ে৷

    এই অবস্থায় অস্থির হয়ে পড়েন মেয়ের পরিবার৷ তখন কনের ছোট বোনের সঙ্গে পাত্রের বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়৷ তবে কনের বোন নাবালিকা, তাই বিয়ে সম্ভব নয়৷ এবং এভাবে অপমানিত হয়ে বিয়ে করতে রাজিও হননি যুবক৷ তাই শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করেই, নিজের গ্রামে ফিরে আসেন তিনি৷ পাত্রের বাবা, পাত্রীর বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মউ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন৷

    এরপর শুরু হয় পুলিশের খোঁজ৷ বিয়ের পিঁড়ি থেকে পালানো বউ এবং তাঁর প্রেমিকের খোঁজে চলে তল্লাশি৷ শুক্রবার, সকলকে অবাক করে প্রেমিক যুগল থানায় পৌঁছন এবং পুলিশের সামনে তাদের স্বজনদের উপস্থিতিতে একে অপরকে মালা দিয়ে বিয়ে করেন। যেহেতু দু’জনেই সাবালক, তাই বাঁধা দেওয়া সম্ভব হয়নি পুলিশের৷ থানায় এমনভাবে বিয়ে গোটা জেলার আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    Published by:Pooja Basu
    First published: