• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • আরুষি হত্যাকাণ্ডে মুখ পুড়ল সিবিআইয়ের

আরুষি হত্যাকাণ্ডে মুখ পুড়ল সিবিআইয়ের

Talwars

Talwars

আরুষি হত্যাকাণ্ডে মুখ পুড়ল সিবিআইয়ের

  • Share this:

     #নয়াদিল্লি: আরুষি ও হেমরাজ খুন হয়েছেন এটা সত্যি। কিন্তু কে খুন করেছে তা জানতে পারেনি সিবিআই। শুধু তাইই নয়, ভারতের অপরাধ ও আইনি ইতিহাসের বিরলতম এই মামলার প্রতিটি ছত্রে প্রমানিত হয়েছে সিবিআই-এর ব্যর্থতা। যে কারণে এলাহাবাদ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বেকসুর খালাসের নির্দেশ দিয়েছে চিকিত্সক দম্পতিকে।

    দেশে আলোড়ন ফেলে দেওয়া এই খুনের তদন্ত প্রথমে শুরু করেছিল উত্তর প্রদেশ পুলিশ। পরে সিবিআই-এর হাতে যায় তদন্তভার। কিন্তু প্রথম থেকেই তদন্তের বিভিন্ন গাফিলতি সামনে এসেছে।

    তদন্তে গাফিলতি

    আরুষির মৃতদেহ পাওয়ার একদিন পরে মেলে হেমরাজের দেহ যদিও একই বাড়ির ছাদে হেমরাজের দেহ পড়েছিল এমনকী সিঁড়িতে রক্তের দাগ থাকলেও তাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি ছাদে রক্তমাখা হাতের ছাপ পাওয়া গেলেও ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়া হয়নি

    তলোয়ার দম্পতির তিন কর্মী, কৃষ্ণা, রাজকুমার ও বিজয়ের নারকো অ্যানালিসিস হয়। কিন্তু তার ভিত্তিতে বিশেষ কোনও তথ্য প্রমানই যোগাড় করা যায়নি। বরং এই তদন্ত চলার সময়েই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। যখন দেখা যাচ্ছে কথা আদায়ের জন্য বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে। ফলে তদন্তকারী অফিসারদের টিমটাই বদলে দেওয়া হয়। এরপর বেরিয়ে আসে প্রথম তদন্তকারী দলের একের পর এক ভুলের বিষয়গুলি।

    খুনে সার্জিক্যাল ব্লেড ব্যবহার করা হয় বলে দাবি করা হয় খুকরি দিয়েও এমন আঘাত করা যায় বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি খুনে ব্যবহৃত গলফ স্টিক প্রথমে উদ্ধার হয়নি পরে উদ্ধার হওয়া স্টিক ফরেনসিকে পাঠালেও তা ব্যবহারের প্রমান মেলেনি প্রথমে বলা হয়েছিল ঘরের মধ্যে থেকে তলোয়ার দম্পতি আওয়াজ পেয়েছিলেন কিন্তু পরে দেখা যায় এসি চালানো অবস্থায় বন্ধ ঘরে আওয়াজ যাচ্ছে না প্রথমে তদন্তকারীদের দাবি ছিল খুনের পরেও কম্পিউটারের রাউটার চালু ছিল পরে জানা যায় রাউটার বন্ধ করে দিলেও প্রায় দু’ঘণ্টা চালু দেখায় রাউটার

    সিবিআই এই মামলায় চার্জশিট না দিয়ে ফাইনাল রিপোর্ট ট্রু দিয়েছিল। অর্থাৎ দু’জনের খুনের ঘটনা সত্যি। কিন্তু কে বা কারা খুন করেছে, তা জানাতে পারেনি। আর ওই রিপোর্টেরই সাসপেক্ট লিস্ট কলামে তলোয়ার দম্পতির নাম লিখে দেয়। কিন্তু যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ দিতে পারেনি। বরং রাজেশ ও নুপূরই আইন মেনে আদালতে জানিয়েছিলেন, এই তদন্তে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। সন্তুষ্ট হল না এলাহাবাদ হাইকোর্টও। যে কারণে বেকসুর খালাস রাজেশ ও নুপূর। আরুষি ও হেমরাজকে কারা খুন করল? জানা দূরের কথা, সিবিআই-এর ব্যর্থতাই প্রমান হল।

    First published: