১০ জনের মধ্যে ৭ জন শহরের মানুষই ফিরতে চাইছেন অফিসে, বলছে নিউজ ১৮-এর সমীক্ষা

১০ জনের মধ্যে ৭ জন শহরের মানুষই ফিরতে চাইছেন অফিসে, বলছে নিউজ ১৮-এর সমীক্ষা

বর্তমানে বেশিরভাগ শহরের মানুষই অফিসে গিয়ে কাজ করার পক্ষে মত দিয়েছেন

বর্তমানে বেশিরভাগ শহরের মানুষই অফিসে গিয়ে কাজ করার পক্ষে মত দিয়েছেন

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: করোনা (Coronavirus)-র জেরে লকডাউন শুরু হয়েছে দেশে প্রায় এক বছর হতে যায়। মার্চের শুরু থেকেই দেশের বেশিরভাগ সংস্থা কর্মচারীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করে দেয়। বাড়ি বসে কাজে একাধিক সুবিধের পাশাপাশি একাধিক অসুবিধের মুখোমুখিও হতে হয়েছে অনেককে। বাড়ি বসে পরিবার, ঘর ও অফিস একসঙ্গে চালানো অনেকটাই সমস্যার বলে জানিয়েছেন অনেকে। কারও আবার ঘরে জায়গার অভাবে কাজ করতে সমস্যা হয়েছে। কারও আবার একঘেয়েমি চলে এসেছে। সমীক্ষা বলছে, তাই বর্তমানে বেশিরভাগ শহরের মানুষই অফিসে গিয়ে কাজ করার পক্ষে মত দিয়েছেন।

স্বাস্থকর্মী, পুলিশ, চিকিৎসক, খাদ্য সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বাদে প্রায় সকলেই ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সুবিধে পেয়েছেন। কিন্তু আনলকের শুরু থেকে বেশিরভাগ সংস্থাই অফিসে কাজ শুরু করে দিয়েছে। ফলে অফিসে গিয়েই কাজ শুরু করতে হচ্ছে অনেককে। যাঁরা এখনও বাড়িতে বসে কাজ করছেন, তাঁদেরই একাংশ বাড়িতে কাজ না করে, এবার অফিসে গিয়ে কাজ করতে চাইছেন।

সম্প্রতি এই বিষয়টির উপরে নিউজ ১৮ ইউগভ নামের একটি সংস্থার সঙ্গে মিলে একটি সমীক্ষা চালায়। সমীক্ষাটি ২৮ ডিসেম্বর ২০২০ থেকে ৩ জানুয়ারি ২০২১-এর মধ্যে প্রায় ৩,২০১ জনের মধ্যে করা হয়। যাতে শহরের ১০১৫ জন মানুষের দেওয়া তথ্য বলছে যে তাঁরা অফিসে ফিরতে চান।

সমীক্ষায় দেখা যায়, ওই ১০১৫ জনই এবার কাজের জায়গায় ফিরতে চাইছেন। কিন্তু অবশ্যই সমস্ত সুরক্ষাবিধি মেনে চলার শর্তও দিচ্ছেন তাঁরা। আর বাকিরা এখনও করোনার ভ্যাকসিনের অপেক্ষা করছেন। ভ্যাকসিন এলে তবে অফিসে যাওয়া শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।

সমীক্ষা বলছে, ১০ জন শহরের মানুষের মধ্য়ে অন্তত ৭ জন কর্মক্ষেত্রে ফিরতে চাইছেন। যার মধ্যে ৬৭ শতাংশ মানুষ দেশের মধ্যেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য় বোধ করবেন বলে জানিয়েছেন।

আর সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করা এক তৃতীয়াংশ মানুষ জানিয়েছেন, দেশে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হলে এবং সকলে ভ্যাকসিন পাবে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে তবেই অফিসে গিয়ে কাজ শুরু করবেন তাঁরা। না হলে বাড়িতে কাজ করতে তেমন অসুবিধা হচ্ছে না।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: