• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ১৮-র আগেই দেশের মেয়েদের ঘটে যাচ্ছে যৌন অভিজ্ঞতা, বয়ঃসন্ধিতে ঝুঁকিতে যৌন স্বাস্থ্য; বলছে সমীক্ষা

১৮-র আগেই দেশের মেয়েদের ঘটে যাচ্ছে যৌন অভিজ্ঞতা, বয়ঃসন্ধিতে ঝুঁকিতে যৌন স্বাস্থ্য; বলছে সমীক্ষা

সমীক্ষা বলছে যে বয়ঃসন্ধিকালীন নাগরিকদের সংখ্যায় বিশ্বে পয়লা সারিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই দেশ

সমীক্ষা বলছে যে বয়ঃসন্ধিকালীন নাগরিকদের সংখ্যায় বিশ্বে পয়লা সারিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই দেশ

সমীক্ষা বলছে যে বয়ঃসন্ধিকালীন নাগরিকদের সংখ্যায় বিশ্বে পয়লা সারিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই দেশ

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বয়ঃসন্ধির সময়টা স্পর্শকাতর তো বটেই! কিছু দিন আগেও যারা ছিল শিশু, সমাজ আচমকা তাদের ঠেলে দেয় প্রাপ্তবয়স্কদের কোঠায়। পাশাপাশি, শরীরে ঘটে চলা বহু পরিবর্তনের জেরে নাজেহাল হয়ে থাকে দেশের একটা বড় জনসংখ্যা। আর তা কোন নিদারুণ বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে দেশের বয়ঃসন্ধিকালীন নাগরিক, বিশেষত মেয়েদের, সেই তথ্যটি এবার সামনে উঠে এল সম্প্রতি। পেশ করল অ্যাডোলেসেন্ট রিপ্রোডাকটিভ অ্যান্ড সেক্সুয়াল হেল্থ বা ARSH।

সমীক্ষা বলছে যে বয়ঃসন্ধিকালীন নাগরিকদের সংখ্যায় বিশ্বে পয়লা সারিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই দেশ। ভারতের মোট জনসংখ্যার ২২ শতাংশ-ই বয়ঃসন্ধিকালীন নাগরিক, তাদের সংখ্যা ২৫৩ মিলিয়ন। বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না যে এই জনসংখ্যার বেশিরভাগটাই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে দেশের নানা গ্রামাঞ্চলে। যেখানে আরও অনেক কিছুর সঙ্গে বয়ঃসন্ধিকালীন যৌন শিক্ষারও অভাব রয়েছে। পরিণামে এক চরম অবস্থার দিকে এগিয়ে চলেছে দেশের বয়ঃসন্ধিকালীন নাগরিকেরা। খুব অল্প বয়স থেকেই তাদের যৌন অভিজ্ঞতা ঘটে যাচ্ছে, যা বাড়িয়ে তুলছে যৌন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। পাশাপাশি, অন্য নানা দিক থেকেও তাদের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে যৌন অশিক্ষা।

পরিসংখ্যান মোতাবেকে, এই দিক থেকে বিপদের মুখে রয়েছে মূলত মেয়েরা। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে বলছে যে দেশের ৪০ শতাংশ মহিলার ১৮ বছরের আগেই বিয়ে হয়ে যায় এবং তার জেরে শরীর ভালো করে তৈরি হওয়ার আগেই যৌন অভিজ্ঞতা ঘটে যায়। সমীক্ষার বয়ান- এই বিপুল পরিমাণ মেয়েদের মধ্যে মাত্র ১৩ শতাংশের নিরোধক ব্যবহারের সৌভাগ্য হয়। বাকিদের ক্ষেত্রে সেই বিষয়টি থেকে যায় অবহেলায়, ফলে নানা ধরনের যৌন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। সেই প্রসঙ্গ বাদ দিলেও অন্য আরও দিক থেকে অপেক্ষা করে থাকে বিপদ।

এই বিপদ মূলত অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ এবং সেই সূত্রে গর্ভপাতের সঙ্গে যুক্ত। সমীক্ষা বলছে যে আমাদের দেশের বেশিরভাগ মেয়েই এই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যায়, যা তাদের স্বাস্থ্যে চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর পাশাপাশি রয়েছে ঋতুচক্রকালীন সময়ে নিজের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মতো বিষয়টিও। কিন্তু দেশের গ্রামাঞ্চলে এই নিয়ে অনেকেই সচেতন নন, সে দিক থেকেও নানা ব্যাধির মুখোমুখি হতে হয় মেয়েদের।

সমীক্ষা এই অশিক্ষার নেপথ্যে দায়ী করেছে সরকারের সদিচ্ছাকে। বলছে যে এখনও যৌন শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরকারের তরফে যথেষ্ট পদক্ষেপ করা হয় না। কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই নিয়ে কাজ করে বটে, কিন্তু লোকবল এবং অর্থবলের অভাবে তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। ফলে এখনও পর্যন্ত দেশের বয়ঃসন্ধিকালীন নাগরিক, বিশেষত মেয়েদের স্বাস্থ্যের দিক উপেক্ষিতই রয়ে গিয়েছে!

Published by:Ananya Chakraborty
First published: