ইনি চেন স্মোকার ছিলেন! সিগারেট ছেড়ে টাকা জমিয়ে বাড়ির আরও একতলা বানিয়ে ফেললেন

বেণুগোপাল নায়ার

সিগারেটের পিছনে যে টাকা খরচ হত, সেই টাকা জমিয়ে বাড়ির আরও একটি তলাই বানিয়ে ফেললেন বেণুগোপাল৷ ১০০ মাস হয়ে গিয়েছে তিনি সিগারেট ছেড়েছেন৷ যে দিন থেকে সিগারেট ছেড়েছেন, সিগারেটের প্যাকেট কিনতে যে টাকা খরচ হত, তা জমাতে শুরু করে দেন৷

  • Share this:

    #কোঝিকোড়: বছর আটেক আগের কথা৷ ৭৫ বছর বয়সি বেণুগোপাল নায়ারের রোজগারের একটা বড় অংশই আক্ষরিক অর্থে ধোঁয়ায় উড়ে যেত৷ তিনি ছিলেন চেন স্মোকার৷ একটা সময় শরীর হাল ছেড়ে দেয়৷ ডাক্তার সাফ জানিয়ে দেন, একটা সিগারেটে টান মানেই মৃত্যুর সঙ্গে হাত মেলানো৷ ইতি টানেন ধূমপানে৷

    একটা সময় একের পর এক প্যাকেট সিগারেট কিনতেন কেরলের কোঝিকোড়ের বাসিন্দা বেণুগোপাল৷ খরচ নিয়ে ভাবতেন না৷ স্রেফ নেশা৷ সব সময়ই ধোঁয়া ছাড়ছেন৷ ডাক্তারের কথায় রীতিমতো ভয় পেয়ে সেই যে সিগারেট ছেড়েছেন, তারপর একটি টানও দেননি৷

    সিগারেটের পিছনে যে টাকা খরচ হত, সেই টাকা জমিয়ে বাড়ির আরও একটি তলাই বানিয়ে ফেললেন বেণুগোপাল৷ ১০০ মাস হয়ে গিয়েছে তিনি সিগারেট ছেড়েছেন৷ যে দিন থেকে সিগারেট ছেড়েছেন, সিগারেটের প্যাকেট কিনতে যে টাকা খরচ হত, তা জমাতে শুরু করে দেন৷

    ১০০ মাসে বেণুগোপাল জমিয়ে ফেলেন ৫ লক্ষ টাকা৷ সেই টাকায় বাড়ির আরেকটি তলা বানিয়ে নিয়েছেন তিনি৷ বেণুগোপাল নির্মাণ শিল্পে চাকরি করতেন৷ সিগারেট ছাড়ার পরে সেই টাকা পরিবারের জন্যই জমাতে শুরু করেন৷

    বেণুগোপাল সিগারেট খাওয়া ধরেন কিশোর বয়সে৷ ১৩ বছর বয়স থেকে তিনি ধূমপায়ী৷ ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত টানা সিগারেট খেয়েছেন৷ তাও আবার চেন স্মোকার৷ ৬৭ বছর বয়সে বুকে ব্যথা অনুভব করেন৷ ডাক্তার বলে দেন, আর একটি টান মানেই সব শেষ৷

    বেণুগোপাল দিনে গড়ে ২০টির বেশি সিগারেট খেতেন৷ ২ প্যাকেট৷ তাঁর কথায়, 'আরও কত টাকা জমাতে পারতাম৷ আফশোস হয়৷ আর আগের জীবনে ফিরব না৷ সিগারেট ছেড়ে খুব ভাল আছি৷'

    Meera Manu

    Published by:Arindam Gupta
    First published: