• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • local-18
  • »
  • WITH THE HELP OF 2 NGO ORAGANIZATION MAN SAVED A LIFE OF PHYSICALLY CHALLENGED YOUTH AC

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় ভবঘুরে প্রতিবন্ধীর প্রাণ বাঁচালেন এক ব্যক্তি

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় ভবঘুরে প্রতিবন্ধীর প্রাণ বাঁচালেন এক ব্যক্তি।

দুই সংগঠনের সদস্যরা যৌথ ভাবে একটি ট্রাইসাইকেলের ব্যবস্থা করে দেয় প্রতিবন্ধী ওই যুবককে

  • Share this:

    #নদিয়া: দুটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় বাঁচলো ভবঘুরে প্রতিবন্ধী যুবকের প্রাণ। শুক্রবাররাত দশটা নাগাদ শান্তিপুর পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁসারী পাড়া এলাকায়, হঠাৎই এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে রাস্তায় হামাগুড়ি দিয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। ভিন্ন ধরনের চলনের পদ্ধতি দেখে আট-দশটি কুকুর ঘিরে ধরে তাকে। স্থানীয় এক ব্যক্তি এই ঘটনা দেখে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে খবর দেয়। শান্তিপুরের নবজাগরণ নামের ওই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে ভবঘুরে প্রতিবন্ধী যুবককে তাদের স্বেচ্ছাসেবীদের হাতে তুলে দেন। পাশাপাশি, বিষয়টি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেন তিনি।সহযোগিতা চেয়ে মানবিক পোস্টে দেখে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় শান্তিপুর প্রতিবন্ধন নামে বিশেষভাবে সক্ষম একটি সংগঠনের সদস্যরা। শনিবার দিনওই দুই সংগঠনের সদস্যরা যৌথ ভাবে একটি ট্রাইসাইকেলের ব্যবস্থা করে দেয় প্রতিবন্ধী ওই যুবককে। পাশাপাশি, তাকে ট্রাইসাইকেল চালানোর ঘন্টা তিনেকের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

    নবজাগরণের নামের সংস্থাটি ওই ভবঘুরের খাবারের দায়িত্বভার বহন করার প্রতিশ্রুতি দেয়। প্রতিবন্ধনের নামের সংস্পথার তরফেসুজন দত্ত জানান "বিশেষভাবে সক্ষম দের নিয়ে, বিভিন্ন অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে, তাই এই ট্রইসাইকেল ভবঘুরেকে যেমন কুকুরের কামড়ানোর হাত থেকে রক্ষা করবে, তেমনই সে নিজের ইচ্ছে মতো বিভিন্ন জায়গায় যেতে পারবে। এরফলে ওর মানসিক সুস্থতাও কিছুটা ফিরবে বলে দাবি করেন তিনি।

    প্রাথমিকভাবে ওই যুবক সম্পর্কে জানা গেছে, তারনাম রাজু দাস এবং তার বাবার নাম মহন্ত দাস। প্রায় ১৫ বছর আগে তার দুটি পা রেলে কাটা পড়ে। সম্পূর্ণ ভাবে বাড়ির ঠিকানা না বলতে পারলেও ভবঘুরে যুবক তার বাড়ি করিমগঞ্জে বলে জানায়। ইতিমধ্যেই যুবকের দেওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখতে খবর নেওয়া শুরু করেছে ওই দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।নদিয়া জেলাতে ওই নামে কোনও জায়গার হদিশ মেলেনি। তবে অসম এবং বিহারে করিমগঞ্জ নামে দুটি জায়গার কথা জানাগেছে সেখানেও খবর পাঠানোর চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে এরাজ্যের কোচবিহার জেলাতেও একচি করিমগঞ্জ রয়েছে যেখানে খবর পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন সংস্থাগুলোর কর্মীরা।প্রতিবন্ধী রাজু সাবলীল ভাবে বাংলা বলতে পারে। রাজু আরো কিছুটা সুস্থ হলে তার থেকে আরও কিছু তথ্য পাওয়ার আশা করছেন সংস্থাগুলির কর্মিরা। এরপরই তাকে তার বাড়ি ফেরাতে প্রশাসনের সহয়োগীতা নেওয়াহবে বলে জানান তারা।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: