ক্রেতা সেজে তিনটি কচ্ছপ উদ্ধার, ওয়াইল্ডলাইফ অফ শ্যামপুরের সদস্যদের

ক্রেতা সেজে তিনটি কচ্ছপ উদ্ধার, ওয়াইল্ডলাইফ অফ শ্যামপুরের সদস্যদের.

মূলত বন্যার ফলে যেভাবে মানুষের মতো বন্য প্রাণীরাও সংকটের মধ্যে পড়েছে তা খুবই চিন্তাজনক।

  • Share this:

    # হাওড়া: ক্রেতা সেজে কিনতে গিয়ে রীতিমতো নাটকীয়ভাবে দুটি কচ্ছপুউদ্ধার করলেন হাওড়ার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। এদিন হাওড়ার বন্যা বিধ্বস্তশ্যামপুর সংলগ্ন এলাকায় দূর্গতদের খাবার পৌঁছতে এবং বিতরণ করতে যান স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। এলাকায় গিয়ে তারা জানতে পারেন বানের জলে ভেঁসে আসা কিছু কচ্ছপকে ধরে তা বিক্রি করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি অসাধু চক্র।এই খবর দেওয়া হয়ওয়াইল্ড লাইফ অফ শ্যামপুর গ্রুপের সদস্যদের। খবর পেয়ে কচ্ছপগুলি তড়িঘড়ি উদ্ধারের জন্য বন্যা বিধ্বস্ত মায়াচর থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছন সংগঠনের লোকজনেরা। এদিন তারাওত্রাণ বিতরণ করছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর সংলগ্ন মায়াচর এলাকায়।

    শ্যামপুরে এসেওয়াইল্ড লাইফ অফ শ্যামপুর গ্রুপের সদস্য অর্পণ দাস, অয়ন বর, সমীরণ সামন্ত ও অনিরুদ্ধরা ক্রেতা সেজে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তার কাছ থেকে কচ্ছপ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। অর্পনবাবুদের কথায় রাজি হয়ে ওই ব্যক্তি তাদেরকে দুটি কচ্ছপ দেখান। এরপর ওই ব্যক্তির থেকে কচ্ছপ দুটি উদ্ধার করে তারা বনদপ্তরের হাতে তুলে দেন।পাশাপাশি, কচ্ছপ বিক্রি যে বেআইনি তাও ওই ব্যক্তিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন সংগঠনের সদস্যরা। একই ভাবে ক্রেতা সেজে তারা অন্য একটি পাড়ায় গিয়ে আরেকটি কচ্ছপক উদ্ধার করেন। কচ্ছপগুলিকে উদ্ধার করে আপাতত বনদপ্তরের তরফে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে দুটিকে ৫৮ নম্বর গেট ফরেস্ট অফিসের জলাশয়েছেড়ে দেওয়া হয়।

    এই বিষয়ে ওয়াইল্ডলাইফ অফ শ্যামপুর গ্রুপের কর্ণদারঅর্পণ দাস বলেন, শুধু এদিনই নয়, এইভাবে প্রায় প্রতিদিনই তাদের কাছে এধরণের ওসাধু চক্রের খবর আসে। মূলত বন্যার ফলে যেভাবে মানুষের মতো বন্য প্রাণীরাও সংকটের মধ্যে পড়েছে তা খুবই চিন্তাজনক। যদিও তিনি বলেন, এবিষয়ে তারা সংগঠনের পক্ষ থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই সমস্ত প্রাণীদের রক্ষা করতে। পাশাপাশি এবিষয়ে বনদপ্তরকে আরো বেশি করে সক্রিয় হতে আবেদন জানান তিনি।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: