advertisement

ছিপ ফেললেই উঠছে ১৪-১৫ কেজির বড় বড় কাতলা, মাছ দেখতে ভিড় পুকুর পাড়ে...

Last Updated:

উঠছে ১৪ - ১৫ কেজির কাতলা, প্রবল উৎসাহে মাছ ধরা চলছে নরেন্দ্রপুরের গ্রীন পার্কে।

রুদ্র নারায়ন রায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: প্রবল উৎসাহে মাছ ধরা চলছে নরেন্দ্রপুরের গ্রীন পার্কে। সেখানে মৃগেল, রুই, চারা পোনা, তেলাপিয়ার পাশাপাশি ধরা পড়ছে বড় বড় কাতলা। এক একটি কাতলার ওজন দশ কেজিরও বেশি। সেই মাছ নিয়েই উৎসাহী মৎস্য শিকারীরা। মাছ ধরা দেখতে, পাশাপাশি বড় মাছের সঙ্গে সেলফি তুলতে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পাশাপাশি কলেজ পড়ুয়া এমনকি গৃহবধূরাও পুকুর পাড়ে ভিড় জমাচ্ছেন। এমন ছবি দেখা গেল দক্ষিণ শহরতলির নরেন্দ্রপুর গ্রীনপার্ক এলাকায়। গ্রীনপার্কের সুবিশাল পুকুরে এদিন মাছ ধরার টিকিট দেয় স্থানীয় ট্রাস্টি বোর্ড। সেখানে মাছ ধরতে ও মাছ ধরা দেখতে একপ্রকার মেলা লেগে যায়।করোনা বিধি ভুলে সাময়িক খুশিতে মেতে ওঠেন মাছ প্রেমী বাঙালি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের পাঁচিল লাগোয়া গ্রীন পার্কের মাঝেই চার-পাচ বিঘার সুবিশাল পুকুর রয়েছে। একসময় পুকুর টি ঊষা কোম্পানির মালিকানাধীন থাকলেও এখন সেটি স্থানীয় ট্রাস্টি বোর্ডের অধীন। সুগভীর সেই পুকুরে আগাগোড়াই ভাল মাছ চাষ হয়। প্রতি বছর বর্ষার শেষে চারা মাছ ফেলা হয় পুকুরে। বছরভর ভূষি, খোল সহ বিভিন্ন খাবার দেওয়া হয় মাছেদের। সেই খাবার খেয়ে দ্রুত বেড়ে ওঠে মাছের দল। বর্ষার শুরুতেই প্রতি বৃহস্পতি ও রবিবার করে মাছ ধরার জন্য টিকিট দেওয়া হয়। এক একেকটি পাশের মূল্য এক হাজার টাকা। চল্লিশ জন এক সাথে পুকুর পাড়ে বসে ছিপ বা হুইলের সাহায্যে মাছ ধরতে পারেন। বারুইপুর, ক্যানিং, সোনারপুর, ভাঙড়ের পাশাপাশি কলকাতা থেকেও বহু মানুষ মাছ ধরতে যান ওই পুকুরে। মাছ শিকারীদের দাবি, ওই পুকুরে বড় মাছ পাওয়া গেলেও, একই দিনে ১০ থেকে ১৫ কেজি ওজনের এত কাতলা মাছ এর আগে কোনদিন পাওয়া যায়নি।
advertisement
গড়িয়ার বাসিন্দা অরবিন্দ পান বহু বছর ধরে বেলেঘাটা, বসিরহাট সহ বিভিন্ন জায়াগায় মাছ ধরেছেন। এদিন তাঁর ছিপেই চোদ্দ কেজি ওজনের একটা কাতলা মাছ ধরাপরে। অরবিন্দ বাবু বলেন, ‘এই পুকুরে যেহেতু জাল টানা হয়না, তাই মাছের সাইজ যথেষ্ট বড়। আমার ধারনা আঠারো-কুড়ি কেজি সাইজের কাতলাও আছে এখানে।‘ আরেক মাছ শিকারী, কার্তিক সরদার বলেন, ‘লকডাউনের এক ঘেয়েমি কাটাতে মাছ ধরতে এসেছিলাম। বড় মাছ পেয়ে মন ভাল হয়ে গেল। আত্মীয়-পরিজনেরা সবাই মিলে ১৫ কেজির এই কাতলা মাছ ভাগ করে খাব।
advertisement
advertisement
চারদিকে তাল, নারকেল, সুপারি দিয়ে ঘেরা এই গ্রীন পার্কে পাখির ডাক ছাড়া অন্য কোন শব্দ নেই বললেই চলে। শুধু মাঝেমধ্যেই বড় মাছ বড়শিতে ধরাদিলে, শিকারীদের উচ্ছ্বাস নিস্তব্ধতার বুক চিরে কোলাহলে ভরে উঠছে। যে আনন্দ ভাগ করে নিতে নরেন্দ্রপুর, কারবালা সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ ভিড় করছেন পুকুর পাড়ে। দু চাকার পাশাপাশি চার চাকারও ভালই ভিড় জমেছে ওই চত্বরে। কলেজ ছাত্রী সুপর্না ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘বড় বড় মাছের সাথে কয়েকটি সেলফি তুলেছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেগুলি ভাইরাল হয়েছে।‘ গ্রীন পার্ক উন্নয়ন কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ কর বলেন, ‘সারা বছর আমরা জাল টেনে মাছ বিক্রি করিনা। মাছ যাতে বড় হয় সেই ব্যবস্থা করা হয়। আমরা চাই বাঙালি বেঁচে থাকুক মাছে ভাতের ঐতিহ্যে।‘
view comments
বাংলা খবর/ খবর/Local News/
ছিপ ফেললেই উঠছে ১৪-১৫ কেজির বড় বড় কাতলা, মাছ দেখতে ভিড় পুকুর পাড়ে...
Next Article
advertisement
West Bengal Weather Update: মেঘলা আকাশ, ছিটেফোঁটা বৃষ্টির পূর্বাভাস ! সোম ও মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের আট ও উত্তরবঙ্গের তিন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা
সোম ও মঙ্গলবার বৃষ্টির পূর্বাভাস ! দক্ষিণবঙ্গের ৮ ও উত্তরবঙ্গের ৩ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা
  • মেঘলা আকাশ, ছিটেফোঁটা বৃষ্টির পূর্বাভাস !

  • সোম ও মঙ্গলবার বৃষ্টির পূর্বাভাস !

  • দক্ষিণবঙ্গের ৮ ও উত্তরবঙ্গের ৩ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement