রিলে নয়, রিয়েলে মরে দেখলেন! দেওয়া হল কবর, কান্নাকাটির জোয়ার, এ কেমন গল্প

দেখতে চেয়েছিলেন মরতে কেমন লাগে! নকল অন্ত্যেষ্টির আয়োজন করলেন বৃদ্ধা, আত্মীয়রা বাধ্য হলেন চোখের জল ফেলতে!

দেখতে চেয়েছিলেন মরতে কেমন লাগে! নকল অন্ত্যেষ্টির আয়োজন করলেন বৃদ্ধা, আত্মীয়রা বাধ্য হলেন চোখের জল ফেলতে!

  • Share this:

#স্যান্টিয়াগো: নাচ বা অন্যান্য শিল্প পরিবেশনের জন্য মহড়া বা রিহার্সাল দেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি নিশ্চয়ই অনেককে সুন্দর সুন্দর পোশাক পরতে দেখে থাকবেন। কিন্তু নিজের শেষকৃত্যের জন্য পুরো পোশাক পরে মহড়া দিয়েছেন, এটা কি আপনি আগে কখনও দেখেছেন বা শুনেছেন? হ্যাঁ, এবার ঘটল এমনই এক অবিশ্বাস্য ঘটনা!

ডেইলি মেইল (Daily Mail) জানিয়েছে, মায়রা আলোনজো (Mayra Alonzo) নামের এক মহিলা তাঁর নিজের শেষকৃত্যের জন্য খানিকটা সাজগোজ করে পুরো পোশাক পরে রিহার্সাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ওই মহিলার বয়স ৫৯ বছর। ঠিক যে ভাবে মৃত্যুর পর শেষযাত্রায় মৃতদেহকে সুন্দর ভাবে ফুল ও ভালো পোশাক পরিয়ে সাজানো হয়, ঠিক সে ভাবেই সেজে তিনি কয়েক ঘন্টা ধরে কফিনে শুয়েছিলেন। তবে এখানেই শেষ নয়, কফিনে শুয়ে থাকা ওই মহিলার পাশে বন্ধু ও পরিবার-পরিজনদের শোক প্রকাশ করতেও দেখা যায়। একই সঙ্গে তাঁরা চোখের জলে ওই মহিলাকে শেষ বিদায় জানান। তবে তাঁদের মধ্যে অনেকেই এই অভিনয় করতে গিয়ে হেসেও ফেলেন। অনেককে আবার মোবাইলে এই পুরো ঘটনার ছবি তুলতেও দেখা যায়।

এপ্রিল মাসের শেষ দিকে উদ্ভট এই ঘটনার সাক্ষী থাকল ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের (Dominican Republic) সান্টিয়াগো (Santiago) শহর। মায়রা একটি সাদা গাউন পরে তাঁর শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে পৌঁছ। মাথায় একটি ফুলের মুকুট এবং নাকে তুলো দিয়ে সুন্দর ভাবে কফিনে শুয়ে পড়েন তিনি।

এই পুরো ঘটনাতে তাঁকে সঙ্গ দেওয়ার জন্য তাঁর বন্ধুবান্ধব, পরিবার এবং প্রতিবেশীদের ধন্যবাদ জানান মায়রা। সেই সঙ্গে তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে বলেও জানান তিনি। এখানেই শেষ না করে তিনি আরও বলেন, যদি আগামীকাল তাঁর মৃত্যুও হয়, তবে বাকিদের তাঁর জন্য আর কিছু করার প্রয়োজন নেই, কারণ তিনি সব কিছুই করে ফলেছেন। তাঁর নকল শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে মায়রা বলেছেন, শীঘ্রই মারা তিনি যাবেন না, কারণ কফিনের মধ্যে রয়েছে শুধুই ‘উষ্ণতা ও নিঃসঙ্গতা’।

মহামারী চলাকালীন মৃত্যুর ঘটনা তাঁর জীবনকে একটি নকল অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পালনে উদ্বুদ্ধ করেছিল বলেও এদিন জানান মায়রা।

Published by:Debalina Datta
First published: