লম্বা আর মজবুত চুলের উপাদান বাড়িতেই রয়েছে হাতের কাছে, জানেন কি?

Representational Image

চুলের যত্নের জন্য হেয়ার স্পা খুব কাজে দেয়। পার্লারে গিয়ে স্পা করা খরচসাপেক্ষ ব্যাপার। তা ছাড়া এ ক্ষেত্রেও যে প্রডাক্ট ব্যবহার করা হয়, তাতেও অল্পবিস্তর কেমিক্যাল থাকে। বাড়িতেও কিন্তু অনায়াসে স্পা করা যায়।

  • Share this:

#কলকাতা:  দূষণ আর তার প্রতিক্রিয়ায় চুল পড়া থেকে বাঁচার সেরা উপায় কি সাধের হাঁটু পর্যন্ত চুল ঘচাং করে কেটে ফেলা? কখনই নয়! কিন্তু লম্বা চুলের দেখভাল কী ভাবে করা যায়, সেটা একটা বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চুল লম্বা হয় হোক, কিন্তু তাকে ভালো রাখার পথটা লম্বা হলে মুশকিল। এটা-সেটা মেখে সেই মুশকিল আরও বাড়িয়ে তোলার চেয়ে সহজ সরল পন্থা বেছে নিলে কাজেও দেবে আর সময়ও বাঁচবে।

ত্বকের যত্ন যদি নিয়মিত নেওয়ার কথা বলা হয়, তা হলে চুলের যত্ন কেন শুধু সপ্তাহে একদিন বা মাসে দু'বারে এসে আটকে যাবে? চুলের যত্নও নিতে হবে নিয়মিত। আর এই যত্নের প্রথম ধাপ হল চুলের প্রয়োজন কী সেটা বোঝা এবং সেই অনুযায়ী জিনিস কেনা।

বিজ্ঞাপন বা সুগন্ধে মোহিত হয়ে হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্ট কেনা হচ্ছে আর তাতে আদৌ চুলের কোনও লাভ হচ্ছে কি না সেটা দেখা প্রয়োজন। তার সঙ্গে এটাও দেখা দরকার যে ওই প্রডাক্টে কোনও ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না। সবার আগে বিচার্য হল চুলের প্রয়োজন। তেলতেলে চুলে তেলযুক্ত প্রডাক্টের প্রয়োজন হয় না, আবার শুষ্ক চুলে অয়েল কন্ট্রোল প্রোডাক্ট কাজে দেয় না। তাই সব চেয়ে ভাল হয় যদি অর্গ্যানিক বা প্রাকৃতিক কোনও উপাদান চুলে লাগানো যায়।

চুলের যত্নের জন্য হেয়ার স্পা খুব কাজে দেয়। পার্লারে গিয়ে স্পা করা খরচসাপেক্ষ ব্যাপার। তা ছাড়া এ ক্ষেত্রেও যে প্রডাক্ট ব্যবহার করা হয়, তাতেও অল্পবিস্তর কেমিক্যাল থাকে। বাড়িতেও কিন্তু অনায়াসে স্পা করা যায়। তার জন্য দোকান থেকে কোনও প্রডাক্টও কিনতে হয় না। রান্নাঘরেই মজুত থাকে এমন কিছু উপাদান, যেমন দই, পাকা কলা, চাল ধোয়া জল ইত্যাদি চুলে দেওয়া যেতে পারে। প্যাক হিসেবে ডিম আর মধুও লাগানো যায় চুলে।

রোজ কিন্তু শ্যাম্পু করা বা হেয়ার স্পা করা সম্ভব হয় না। আর করা উচিতও নয়। কিন্তু স্কাল্পের লাগে নিয়মিত যত্ন। কারণ স্কাল্প থেকেই চুল গজায়। স্কাল্পে যাতে রক্ত চলাচল ঠিক থাকে এবং চুলের গোড়ায় যাতে ময়লা না জমে, সে খেয়াল রাখা আবশ্যক। আর এর জন্য সপ্তাহে অন্তত একবার হট অয়েল মাসাজ করা দরকার।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: