সবথেকে সস্তায় তন্দুর-কাবাব,মধ্যবিত্তের সাধ পূরণে ব্যস্ত বাঙালি

সবথেকে সস্তায় তন্দুর-কাবাব,মধ্যবিত্তের সাধ পূরণে ব্যস্ত বাঙালি

মাত্র ২৫ টাকা থেকে শুরু দাম...

  • Share this:
 Sreeparna DasGupta 
#কলকাতা: পড়াশুনো করেছেন জুলজি নিয়ে। বহুদিন কাজও করেছন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে। তবুও যেন নতুন কিছু করার চেষ্টা তাড়া করছিল দেবাংশু দে -কে। খাবারের বিষয়ে বরাবরই প্যাশনেট দেবাংশু মনস্থির করেই ফেলেন, এমন কিছু করতে হবে শহরে যাতে এ ক্লাস খাবার খাওয়ার সময়ও পকেটে কত টাকা রয়েছে বা আজ মাসের কত তারিখ সেটা ভাবতে না হয়।ব্যবসা তো সবাই বেশি প্রফিটের জন্য করে ৷ কিন্তু এখানে দেবাংশু অন্যদের থেকে একটু আলাদা ৷ শোনাচ্ছিলেন ছোটবেলার কথা ৷ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। বাবার সঁঙ্গে রাস্তায় বেরোলেই নাকে আসতো দোকানের বাহারি খাবারের গন্ধ। তাঁর বাবা বলতেন নাক বন্ধ করে যেতে ৷ ছোট বয়সে মন খারাপ হলেও দেবাংশুর বুঝতে অসুবিধে হয়নি তাঁর থেকেও হয়ত বেশি খারাপ লেগেছিল তাঁর বাবার।
চাকরি ছাড়ার কথা ভাবতেই নিজের ইউএসপি ঠিক করে ফেলেছিলেন দেবাংশু।তাঁর দোকানে খাওয়ার জন্য যেন পকেটের চিন্তা করতে না হয়।এখানেই অন্যদের থেকে আালাদা হয়ে বাজিমাত করেছেন দেবাংশু।নিজের কোনও স্থায়ী দোকান নেই। রয়েছে ঠেলা গাড়ি বা কার্ট।তাতেই দেদার বিকোচ্ছে বাহারি কাবাব। ঝাঁ চকচকে রেঁস্তোরাতে বসে এসির ঠান্ডা হাওয়ায় হয়ত খাওয়া হয় না, কিন্তু খাওয়ার শেষে তেমনিই থাকে না জিএসটির ধাক্কা ৷ রয়েছে বিশাল তন্দুর মেনু সঙ্গে জিভে জল আনা কাবাবও। ঠিক কত থেকে শুরু মেনু? দেবাংশু জানিয়েছেন, ২৫ টাকা থেকে শুরু। রয়েছে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। কী কী পাওয়া যায়? প্রশ্নের উত্তরে দেবাংশুর সাফ জবাব "কি চাই আপনার,সব আছে এখানে?’’ ২৫ টাকাতে পাওয়া যাবে চিকেন উইঙ্গস, ৪০টাকায় ইংলিশ ড্রেসিং চিকেন উইঙ্গস উইথ স্কিন। রয়েছে টিক্কা কাবাব। যা ১০০ টাকায় ৬পিস রেশমি কবাব ৫ পিস পাওয়া যায় ১২০ টাকায় ৷ যা অকল্পনীয়। এই কার্টের ম্যক্সিমাম প্রাইস হল ১৫০ টাকা, হাফ তন্দুরের জন্য।এছাড়ও পেশাওয়ারি চাপলি কাবাব পাওয়া যায় এখানে। কারা রয়েছেন দেবাংশুর ক্লায়েন্ট লিস্টে? ক্ষুদ্র উদ্যোগপতির উত্তর "সব রকমের ভোজন রসিক মানুষরাই আসেন আমার কাছে। কলেজ পড়ুয়া থেকে শুরু করে আইটি বা কর্পোরেট।" তবে এখনই নিজের দোকান খোলার কোনও আগ্রহ নেই তাঁর ৷ স্থায়ী দোকান খোলার প্রশ্নের উত্তরে তাঁর খোলামেলা জবাব ,"আপনি ভাবতে পারবেন না এখানে সবাই আালাদা একটা আনন্দ নিয়ে খায়। আমি সেটা চোখে মুখে দেখতে পাই। পাকা দোকান খুললে সেটা হারিয়ে যাবে। তা ছাড়া খোলা আকাশের নিচে বছরের বারো মাস, কার্টের থেকে নিয়ে সোজা পাতে ধোয়া মেশানো গন্ধের কাবাবের মজা হাই এন্ড রেস্তোরায় কোথায়!"

আরও দেখুন

First published: December 15, 2019, 8:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर