মনের মানুষকে সন্দেহ? প্রমাণ পাওয়ার জন্য কত দূর এগোনো যায়, বলছেন বিশেষজ্ঞ

মনের মানুষকে সন্দেহ? প্রমাণ পাওয়ার জন্য কত দূর এগোনো যায়, বলছেন বিশেষজ্ঞ

মনে সন্দেহ ঢুকলে স্ত্রীর পাশে শুয়ে থেকেও নিজেকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না, মনে হয় শুয়ে থাকা দেহ পরপুরুষের!

মনে সন্দেহ ঢুকলে স্ত্রীর পাশে শুয়ে থেকেও নিজেকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না, মনে হয় শুয়ে থাকা দেহ পরপুরুষের!

  • Share this:

সন্দেহ অতি বিষম বস্তু! বিষ বললেও খুব একটা ভুল বলা হয় না। একবার যদি তা মনের মধ্যে ঢুকে যায়, তাহলে উইপোকা যেমন কুরে কুরে খায় কাঠ, ঠিক তেমন করেই সম্পর্কের ভিত নড়িয়ে দেয়। এই প্রসঙ্গে জয় গোস্বামীর একটা কবিতার বক্তব্য একেবারে যথাযথ। যেখানে তিনি লিখেছেন যে মনে সন্দেহ ঢুকলে স্ত্রীর পাশে শুয়ে থেকেও নিজেকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না, মনে হয় শুয়ে থাকা দেহ পরপুরুষের!

এই পর্বে বিশেষজ্ঞা পল্লবী বার্নওয়ালও অনেকটা একই রকম মত পোষণ করেছেন। এক পাঠকের চিঠির উত্তরে তিনি জানিয়েছেন যে সন্দেহ থেকে কিছুতেই বের হয়ে আসা যায় না। তাকে প্রশ্রয় দিলেই ঘটে যায় সর্বনাশ! কিন্তু কী এমন ছিল সেই চিঠিতে? যার উত্তর দিতে গিয়ে বিহ্বলবোধ করেছেন বিশেষজ্ঞা?

সেই চিঠিতে এক পাঠক জানতে চেয়েছেন পল্লবীর কাছে- যদি মনের মানুষকে সন্দেহ হয়, তাহলে তার প্রমাণ পাওয়ার জন্য অডিও বা ভিডিও প্রযুক্তির ব্যবহার করা কি খুব অনৈতিক হয়ে যাবে? কেন তা করতে বারণ করছেন পল্লবী, দেখে নেওয়া যাক এক এক করে!

১. সবার আগে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পল্লবী- এ ভাবে কত দিন সঙ্গী/সঙ্গিনীর পিছন পিছন ঘুরে প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব? যে মুহূর্তগুলোয় সম্ভব হল না, ঠিক সেখানেই মনের মানুষ অন্য পক্ষকে ঠকাচ্ছেন না, এটা কী ভাবে নিশ্চিত করা যাবে?

২. যাবে না বলেই পল্লবী সাফ বলছেন যে এ ভাবে প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা একটা বালখিল্যতা বই আর কিছু নয়। কেন না, সন্দেহ কোনও দিনই মেটে না!

৩. তাছাড়া সঙ্গী/সঙ্গিনীর বিরুদ্ধে অডিও বা ভিডিও ব্যবহার প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা নীতিবিরুদ্ধ তো বটেই! এর মানেই হল এই যে সম্পর্কে আর পারস্পরিক বিশ্বাস নেই। অতএব, যদি তা-ই হয়, তাহলে প্রমাণ জোগাড় করার পিছনে বৃথা সময় নষ্ট না করে মানসিক শান্তির অন্য উপায় খোঁজা ভালো; চাইলে সম্পর্ক থেকে বেরিয়েও আসা যায়।

৪. যেটা বাস্তবসম্মত ভাবে করা যায়, তা হল খোলাখুলি আলোচনা। কিন্তু সেই আলোচনা যদি সুষ্ঠু না হয়, যদি কথা কাটাকাটিতে গড়িয়ে যায়, তাহলে মাথায় রাখতে হবে যে সেটা কোনও দিন মিটবে না। এক্ষেত্রে নিজে ভালো থাকার জন্য সরে আসা-ই ঠি হবে বলে জানাচ্ছেন পল্লবী!

Pallavi Barnwal

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

লেটেস্ট খবর