প্রতিদিন একটা করে তেজ পাতা পোড়ান, উপকার মিলবে ভুরি ভুরি

bay leaves

bay leaves

  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা:  জানেন, বাড়িতে নিয়মিত তেজ পাতা পোড়ালে অনেক উপকার মেলে! গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তেজ পাতার মধ্যে থাকে এমন কিছু উপাদান, যেগুলো পাতাটা পোড়ানোর সময়ে বাতাসে মিশতে শুরু করে। তারপর শ্বাস প্রশ্বাসের মধ্যে দিয়ে সেই বাতাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। এর ফলে বেশ কিছু রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না! সেই সঙ্গে মেলে আরও নানা উপকার! যেমন--

    ১. অফিস থেকে ফিরে ১-২ টো তেজপাতা জ্বালিয়ে ঘরের কোণে রাখুন। নিমেষে ক্লান্তি দূর হবে! আসলে তেজপাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পিনাইন, সিনেওল ও এলিমেসিনের মতো উপাদান, যা ধোঁয়ার মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করা মাত্র নার্ভের ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে এনার্জির ঘাটতিও দূর হয়। ফলে, নিমেষে শরীর হয় তরতাজা!

    ২. তেজ পাতার ধোঁয়া আরশোলা, পিঁপড়ে ছাড়ো অন্য অনেক পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কমায়।

    ৩) গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তেজ পাতার ধোঁয়া ১০ মিনিট ইনহেল করলে ব্রেন সেলের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, ফলে মনোযোগ বাড়ে। সেই সঙ্গে কগনিটিভ অ্যাকটিভিটিও বাড়তে থাকে। তেজ পাতায় থাকা পিনেইন, সিনেওল এবং এলিমিসিনের মতো কেমিক্যাল শরীর এবং মস্তিষ্কের ক্লান্তিও দূর করে। টেনশন,স্ট্রেস, মানসিক অবসাদ কমে।

    ৪) 'ইউ এস ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন'-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে প্রতিদিন ১-৩ গ্রাম তেজপাতার ধোঁয়া শরীরে ঢুকলে শরীরে ইনসুলিনের উৎপাদনের মাত্রা বেড়ে যায়। কাজেই, ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য উপকারি। ধোঁয়ায় সমস্যা থাকলে, এই পরিমাণ তেজ পাতা যদি প্রতিদিন খাওয়া যায়, তাহলেও সমান উপকার পাবেন।

    ৫) তেজ পাতায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদান শরীরের প্রদাহ কমায়। ফলে গাঁটে ব্যথা বা জয়েন্ট পেন কমে। তেজ পাতায় রয়েছে ইগুয়েনাল নামে এক ধরনের কেমিক্যাল যা অন্য ধরণের যন্ত্রণা কমাতেও কার্যকরী। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

    ৬)  বুকে জমে থাকা কফ দূর করতে তেজ পাতার কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে! ফুসফুসও ভাল রাখে।

    আরও পড়ুন-চিকেন কেনার সময় সাবধান ! মাংসে এই চিহ্ন থাকলে ভুলেও কিনবেন না

    First published:

    Tags: Bay leaf, Healthy benifit, Healthy Lifestyle, Home remedies, Indian spice, Lifestyle story, Smoke of bay leaf