করোনা আক্রান্তকে প্লাজমা দিয়ে সাহায্য করতে পারেন আপনিও, শুধু চোখ বুলিয়ে নিন এই তথ্যগুলোয়

করোনায় আক্রান্তকে নিজের প্লাজমা দিয়ে সাহায্য করতে পারেন আপনিও! শুধু চোখ বুলিয়ে নিন এই তথ্যগুলোয়!

প্লাজমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কী কী করা উচিত সেই বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের দেওয়া গাইডলাইনে চোখ বুলিয়ে নিন--

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: কোভিড ১৯ যে একটি সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ সেটা ইতিমধ্যেই কারও অজানা নয়। সংক্রমিত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশি থেকে অন্য ব্যক্তি সংক্রমিত হতে পারেন। এতদিন বলা হচ্ছিল নাক বা মুখ দিয়ে এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। যদিও বর্তমান গবেষণা বলছে যে এই ভাইরাস বায়ুবাহিতও হতে পারে। বদ্ধ ঘরে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ি বা মলেও বায়ু চলাচল না হলে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। কিন্তু অনেকে এই ভাইরাসকে জয় করে সুস্থও হয়ে উঠছেন। এই মুহূর্তে তাঁদের দায়িত্ব হল নিজেদের শরীরের প্লাজমা দিয়ে অন্য রোগীকে সারিয়ে তোলা। প্লাজমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কী কী করা উচিত সেই বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের দেওয়া গাইডলাইনে চোখ বুলিয়ে নিন--

কাকে বলে প্লাজমা থেরাপি? কোভিড মুক্ত হয়েছেন যাXরা তাঁদের শরীরে রোগপ্রতিরোধক অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। প্লাজমা হল রক্তের সেই উপাদান যা ভাইরাস-সংঘটিত অ্যান্টিবডিগুলি ধারণ করে। এটি অনেকটা রক্তদানের মতোই, তবে একই প্লাজমা রক্ত থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং অবশিষ্ট রক্ত আপনার শরীরে স্থানান্তরিত করা যায় যাতে যে প্লাজমা দিচ্ছে তাঁর শরীরে রক্তের ঘাটতি না হয়।। পদ্ধতিটি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত এবং দাতা এখানে কোনও ব্যথা, অসুস্থতা বা মাথা ঘোরা অনুভব করে না।

কনভ্যালেসেন্ট প্লাজমা আসলে কী? কনভ্যালেসেন্ট প্লাজমা হল রক্তের সেই তরল অংশ যা রোগীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয় যেগুলি সার্স-সিওভি -২ ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট করোনাভাইরাস রোগ। আগেই বলা হয়েছে যে কোভিড রোগীদের শরীরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে রক্তে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। অ্যান্টিবডিগুলি হল এমন প্রোটিন যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

কারা কারা এই কনভ্যালেসেন্ট প্লাজমা দেওয়ার উপযোগী? আপনি এই প্লাজমা দিতে পারেন যদি- ১. ১৮-৬০ বছরের মধ্যে আপনার বয়স হয়। মহিলাদের ক্ষেত্রে আঠেরো বছরের উপরে বয়স হলেই হবে। তবে গর্ভবতী হলে চলবে না। ২. ওজন হতে হবে ৫০ কেজির বেশি। ৩. এর আগে কোভিড টেস্ট পজিটিভ হয়েছে। ৪. কোভিড নেগেটিভ হয়েছেন এবং বিগত ১৪ দিনে আপনার কোনও উপসর্গ নেই। ৫. রক্ত দেওয়ার অন্যান্য পরীক্ষায় আপনি পাশ করেছেন এবং রক্তে সংক্রমিত হওয়ার মতো কিছু পাওয়া যায়নি।

কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে? ব্লাড ব্যাঙ্ক আছে এমন হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

Published by:Rukmini Mazumder
First published: