কথা রাখলেন আনন্দ মহিন্দ্রা, তামিলনাড়ু ইডলি আম্মার এবার নিজের বাড়ি! দেখুন

কথা রাখলেন আনন্দ মহিন্দ্রা, তামিলনাড়ু ইডলি আম্মার এবার নিজের বাড়ি! দেখুন

Idli Amma | Image credit: Twitter

দ্য নিউজ মিনিট-এর একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে মাত্র এক টাকায় ইডলি বিক্রি করছেন আম্মা। ২০১৯-এ মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিও।

  • Share this:

#চেন্নাই: ২০১৯ নাগাদ উদ্যোগপতি আনন্দ মাহিন্দ্রা (Anand Mahindra) কথা দিয়েছিলেন যে তিনি তামিলনাড়ুর একটি ইডলির দোকানে কিছু অর্থ বিনিয়োগ করবেন। এই দোকানে যিনি ইডলি তৈরি করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে ভালোবেসে সবাই ইডলি আম্মা বলেন। ওঁর আসল নাম হল কে কমলাথাল। দ্য নিউজ মিনিট-এর একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে মাত্র এক টাকায় ইডলি বিক্রি করছেন আম্মা। ২০১৯-এ মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিও। এক টাকায় আজকের দিনে কিছুই হয় না। সেখানে প্রায় তিন দশক ধরে আম্মা মাত্র এক টাকায় তাঁর ইডলি বিক্রি করছেন। এই ভিডিও জনপ্রিয় হওয়ার পর অনেকেই আম্মার ভক্ত হয়ে যান। তার মধ্যে ছিলেন আনন্দ মাহিন্দ্রাও।

আশি বছরের আম্মার এই এক টাকার ইডলি বিক্রির নেপথ্যে রয়েছে এক মহৎ উদ্দেশ্য। ভেদিভেলামপালায়াম গ্রামের আম্মা এক টাকায় ইডলির সঙ্গে সম্বর আর নারকেলের চাটনি দেন। তিনি মাত্র এক টাকায় বিক্রি করেন যাতে স্থানীয় মজদুর, শ্রমিক এঁরা নুন্যতম টাকায় পেট ভরে খেতে পারেন। এতে তাঁদের পেটও ভরবে, আবার টাকাও বাঁচবে। আম্মা জানতেন যে এঁরা বেশিরভাগ দিনই খালি পেটে না খেয়ে কাজ করেন। তাই তিনি এই কাজ করে আসছেন অনেক দিন ধরে।

আম্মার এই ভিডিও দেখে রীতিমতো আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন আনন্দ। তিনি বলেন যে এই দোকানে তিনি বিনিয়োগ করতে চান। আম্মা কাঠের উনুনে ইডলি তৈরি করছিলেন। তাই আনন্দ বলেন যে তিনি আম্মাকে এলপিজি বার্নার কিনে দেবেন। এই ট্যুইট ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর কোয়েম্বাতোরের ভারত গ্যাস আম্মাকে নতুন এলপিজি কানেকশন উপহার দেয়।

এবার আম্মা যাবেন তাঁর নতুন বাড়িতে, যেটা সম্পূর্ণরূপে তাঁর হবে।

একবার আম্মা বলেছিলেন তাঁর একটি বাড়ির প্রয়োজন আছে। আর সেটা শুনেই আনন্দ প্রতিশ্রুতি দেন যে মাহিন্দ্রা গ্রুপের মাহিন্দ্রা লিভিং স্পেসেস-এর পক্ষ থেকে একটি বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে। আনন্দ মাহিন্দ্রা ট্যুইট করেছিলেন যে কারও মহৎ কাজের অংশ হওয়া একটা দারুণ ব্যাপার। কমলাথাল আম্মা তাঁর কাজ করছেন। এবার আমাদের পালা তাঁর জন্য একটি দোকান-সহ বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার!

Published by:Debalina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর