• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • TMC vs BJP| Bengal bypoll: রাজ্যপাট হাতের মুঠোয়, তবু কেন আজ চারে চার চাইছে তৃণমূল

TMC vs BJP| Bengal bypoll: রাজ্যপাট হাতের মুঠোয়, তবু কেন আজ চারে চার চাইছে তৃণমূল

আজ আরও একবার লড়াইয়ের ময়দানে মমতা ও শুভেন্দুর বাহিনী।

আজ আরও একবার লড়াইয়ের ময়দানে মমতা ও শুভেন্দুর বাহিনী।

TMC vs BJP Bengal bypoll: হালকা চালে না নিয়ে তৃণমূল এই উপনির্বাচনের জন্যেও যথেষ্ট ওয়ার্ম আপ করেছে, বিজেপি যে সহজে ওয়াকওভার পাবে না তা পরিষ্কার। কিন্তু কেন এই কসরৎ শাসকদলের?

  • Share this:

    #কলকাতা: ‌বাংলার ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জিতে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। কিন্তু কোথাও করোনার কারণে প্রার্থী মৃত্যু, কোথাও আবার জিতেও বিরোধীদলের সাংসদের দিল্লি ফিরে যাওয়া ইত্যাদি কারণে আজ আরও একবার লড়াইয়ের ময়দানে রাজ্যের যুযুধান শিবিরগুলি (Bengal bypoll)। আপাতদৃষ্টিতে রাজ্যের চার প্রান্তের এই ভোট তৃণমূলের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং এই জয় পরাজয় অনেক বড় ফ্যাক্টর বিজেপির কাছে। সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনে জেতা শান্তিপুর এবং দিনহাটা দখলে রাখতে পারলে পায়ের তলায় কিছুটা হলেও মাটি থাকবে রক্ষা হবে অস্তিত্ব। অন্য দিকে তৃণমূলের লড়াইটা সাম্রাজ্যবিস্তারের। বলাই বাহুল্য হালকা চালে না নিয়ে তৃণমূল এই উপনির্বাচনের জন্যেও যথেষ্ট ওয়ার্ম আপ করেছে, বিজেপি যে সহজে ওয়াকওভার পাবে না তা পরিষ্কার। কিন্তু কেন এই কসরৎ শাসকদলের?

    রাজনৈতিক মহলের মতে তৃণমূলের এই মুহুর্তের ফোকাস সাম্রাজ্য বিস্তার। শক্তি বাড়াতে চায় ঘাসফুল শিবির। সেই কারণেই ভোটে জেতার পরেও ক্রমাগত দলে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে দলত্যাগীদের। ঠিক এই কারনেই আজ ২-২ (পুরনো ফল এই চার আসনের) নয় ৪-এ ৪ করতে চায় তৃনমূল।

    উত্তরবঙ্গে বিজেপির অস্তিত্ব দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় অনেকটাই বেশি। সোশ্যাল  ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতি ব্যবহার করে বিজেপি সেখানে মতুয়া, রাজবংশী প্রভৃতি গোষ্ঠীকে আলাদা আলাদা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে। বিজেপির সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং যে কাটে নি তা প্রমাণ করতে এখনও মরিয়া তৃণমূল। মাত্র ৫৭ ভোটে হেরে যাওয়া দিনহাটায় এবার জিততে পারলে উত্তরবঙ্গে বিজেপির জমি সামান্য হলেও কমবে , আর সেটাই অভীষ্ট তৃণমূলের।

    আরও পড়ুন-চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন শুরু, আজ কি চারে চার তৃণমূলের? নাকি লড়বে বিজেপি?

    খড়দহ তৃণমূলের চ্যালেঞ্জ অবশ্য ব্যবধানটা রাখা। কারণ প্রার্থী হেভিওয়েট। খড়দহের লড়াইয়ে কাজল সিনহা বিজেপির শীলভদ্র দত্তকে ২৮ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছিলেন। ফল ঘোষণার অব্যবহিত পরেই করোনায় তাঁর মৃত্যু হয়। ভবানীপুরের আসন তৃণমূল নেত্রীকে উপহার দিয়ে এখানে কাজল সিনহার পরিবর্ত হিসেবে লড়তে এসেছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কাজল সিনহার স্মৃতি এবং শোভনদেবকে যোগ্য সন্মান দিতে খড়দহে ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল। আবার গোসাবা তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি, সেখানে যে বিজেপি দাঁত ফোটাতে পারেনি তা প্রমাণ করতে চায় শাসকদল।

    আরও পড়ুন-জামিনের নথি পৌঁছতে দেরি, আজও জেলেই থাকতে হবে শাহরুখ-পুত্র আরিয়ান খানকে!

    আজ হলে বিজেপির মান রক্ষা হবে। পুরভোটের প্রস্তুতিটা জমকালো ভাবে নিতে পারবে বিজেপি শিবির। আত্মবিশ্বাস বাড়বে নীচুতলার। এই লড়াইটা বিজেপির কাছে বিপর্যয় মোকাবিলার, ড্যামেজ কন্ট্রোলের। তৃণমূলের কাছে শক্তি প্রদর্শনের।

    Published by:Arka Deb
    First published: