Sayantan Basu: ১ জনকে মারলে আমরা ৪ জনকে মারব! শীতলকুচি নিয়ে 'শোলে' আউড়ে বিপদে সায়ন্তন

Sayantan Basu: ১ জনকে মারলে আমরা ৪ জনকে মারব! শীতলকুচি নিয়ে 'শোলে' আউড়ে বিপদে সায়ন্তন

বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই ঘটনায় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, বেশি বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে৷ তার পরই বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু শীতলকুচির ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে হুমকি দিয়েছিলেন, খেলা বেশি খেলতে যেও না শীতলকুচি খেলে দেব৷

  • Share this:

    #কলকাতা: নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে এবার বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুকে (Sayantan Basu) নোটিশ দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। চতুর্থ দফার ভোটে কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চারজনের মৃত্যুর ঘটনার পর যে মন্তব্য করেছিলেন সায়ন্তন, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন নোটিশ পাঠিয়েছে কমিশন। কমিশন তাঁকে শোকজ করেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সায়ন্তনকে নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে হবে। নাহলে কমিশন একতরফা সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে।

    চতুর্থ দফার ভোটের দিন শীতলকুচিতে যে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটেছিল তার পর থেকেই সেই ঘটনা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই ঘটনায় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, বেশি বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে৷ তার পরই বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু শীতলকুচির ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে হুমকি দিয়েছিলেন, খেলা বেশি খেলতে যেও না শীতলকুচি খেলে দেব৷

    জলপাইগুড়ির বানারহাটে সভা করতে গিয়ে এই হুঁশিয়ারি দেন সায়ন্তন বসু৷ তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'আমি সায়ন্তন বসু বলে যাচ্ছি, খেলা বেশি খেলতে যেও না শীতলকুচি খেলে দেব৷ জীবনে প্রথম বার ভোট দিতে যাওয়া আনন্দ বর্মণকে হত্যা করেছে ওরা। ও বিজেপির শক্তি প্রমুখের ভাই ছিল। আমরা এর পর আর অপেক্ষা করব না। চারজনকে ইতিমধ্যেই স্বর্গে পাঠানো হয়েছে। শোলে সিনেমায় একটা ডায়লগ ছিল যদি আপনাদের মনে থাকে, তুমি একটা মারলে, আমরা চারটে মারব, শীতলকুচি তার সাক্ষী থাকল। তোমরা একটা মারলে, আমরা চারটে মারব।'

    বিতর্কিত মন্তব্য করে অবশ্য বার বারই শিরোনামে এসেছেন সায়ন্তন বসু৷ দলের মধ্যেও সতর্ক করা হয়েছে তাঁকে, তার পরেও সায়ন্তন আছেন সায়ন্তনেই৷ শীতলকুচির প্রসঙ্গ টেনে এনে সায়ন্ত বসুর সে দিনের মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সব রাজনৈতিক দলের নেতারাই৷

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: