উচ্চ মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁস আটকাতে মেটাল ডিটেক্টর, বন্ধ করা হতে পারে ইন্টারনেটও

উচ্চ মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁস আটকাতে মেটাল ডিটেক্টর, বন্ধ করা হতে পারে ইন্টারনেটও
প্রশ্নপত্র ছাড় রুখতে দাওয়াই পর্ষদের নতুন দাওয়াই

আগামী ১২ ই মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে এবছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। গতবারের তুলনায় সামান্য কমে এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে ৭ লক্ষ ৯০ হাজার পরীক্ষার্থী।

  • Share this:

মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকে হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নপত্র আটকাতে একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিল উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। প্রত্যেকটি পরীক্ষার ঘরে একজন করে শিক্ষক নজরদারির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টর স্পর্শ কাতর পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত সংসদের। রাজ্যের প্রায় ৩০০টি পরীক্ষাকেন্দ্রে মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সভাপতি মহুয়া দাস। মেটাল ডিটেক্টর এর পাশাপাশি ইন্টারনেট বন্ধ করার জন্য রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংসদ সভাপতি। বিশেষত মালদা, মুর্শিদাবাদ উত্তর দিনাজপুর, বীরভূম, উত্তর ২৪ পরগনা জেলাগুলিতেই স্পর্শকাতর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সংসদের তরফে। সংসদের তরফে পরীক্ষা কেন্দ্র গুলি কেউ করা সর্তকতা জারি করা হয়েছে।সংসদ সভাপতি জানিয়েছেন "কোনও পরীক্ষাকেন্দ্র যদি টোকাটুকি মতো ঘটনা আটকাতে ব্যর্থ হন বা সদর্থক ভূমিকা না নেন তাহলে সেই স্কুলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হবে।"

আগামী ১২ ই মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে এবছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। গতবারের তুলনায় সামান্য কমে এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে ৭ লক্ষ ৯০ হাজার পরীক্ষার্থী। এ বছর ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭২ হাজার বেশি। এ বছরই প্রথম সংসদের তরফে একটি নতুন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। প্রত্যেকটি পরীক্ষার ঘরে তিনজন নজরদারির দায়িত্বে থাকবেন। এদের মধ্যে একজন প্রধান ইনভিজিলেটর। অন্যজন হবেন স্পেশাল মোবাইল অবজারভার। অর্থাৎ ঘরের ভেতর কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে আছে নাকি তা দেখার দায়িত্ব এই অবজার্ভারের। সংসদ সভাপতি জানিয়েছেন "পরীক্ষার ঘরে মোবাইল নেই তা নিশ্চিত হয়ে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে।"

তবে এবার মোবাইল ফোন আটকানোর জন্য মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সভাপতি। মূলত রাজ্যজুড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ টির মত স্পর্শকাতর পরীক্ষা কেন্দ্রে এই মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা হবে। সংসদ সভাপতি জানিয়েছেন "যারা যারা মেটাল ডিটেক্টর চেয়েছে তাদেরকেই দেওয়া হচ্ছে। তবে শরীর স্পর্শ না করে এই মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করতে হবে"। শুধু তাই নয় কোন স্কুল পরীক্ষার দায়িত্ব্ব্ব্ব পালনে গাফিলতি করলে সেই স্কুলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংসদ সভাপতি।

পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সংসদের হেল্প লাইন চালু করা হয়েছে। নম্বর গুলি হল:

০৩৩ ২৩৩৭৪৯৮৪ ০৩৩ ২৩৩৭৪৯৮৫

০৩৩ ২৩৩৭৪৯৮৬ ০৩৩ ২৩৩৭৪৯৮৭ ৯৪৩৩০৯৪০২১, ৯৮৫১৯০৫৫২৯।

সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়।

First published: March 12, 2020, 4:45 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर