• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • THERE WAS NO RADIOACTIVE MATERIAL CALIFORNIUM NEAR KOLKATA AIRPORT IT WAS NORMAL STONE REPORT BY BHABHA ATOMIC RESEARCH CENTER SB

Californium in Kolkata: কলকাতায় পরমাণু বোমার সামগ্রী ক্যালিফোর্নিয়াম নয়, মিলেছিল সাধারণ পাথর!

সাধারণ পাথর, ক্যালিফোর্নিয়াম নয়

Californium in Kolkata: প্রাথমিক রিপোর্টে ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার জানিয়ে দিল, ওই চারটি পাথর ক্যালিফোর্নিয়াম বা ইরিডিয়াম নয়, বরং সাধারণ মামুলি পাথর।

  • Share this:

#কলকাতা: তেজস্ত্রিয় মৌল ক্যালিফোর্নিয়াম নয়, বরং সাধারণ মামুলি পাথর। গত বুধবারই কলকাতা বিমানবন্দর চত্বরের সামনে থেকে চারটি উজ্জ্বল পাথরের মতো মৌল উদ্ধার করে সিআইডি। সন্দেহ, সেগুলি শক্তিশালী ক্যালিফোর্নিয়াম। যার এক গ্রামের দাম ১৭ কোটি টাকা। পরমাণু বোমা তৈরির উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয় ক্যালিফোর্নিয়াম বা ইরিডিয়াম। আশঙ্কা করা হয়েছিল, এয়ারপোর্টের কাছে যে পরিমাণ ক্যালিফোর্নিয়াম পাওয়া গিয়েছে, তার আনুমানিক দাম ৪ হাজার ২৫৮ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এরপরই ওই চারটি পাথর পাঠানো হয়েছিল ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারে। কিন্তু প্রাথমিক রিপোর্টে ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার জানিয়ে দিল, ওই চারটি পাথর ক্যালিফোর্নিয়াম বা ইরিডিয়াম নয়, বরং সাধারণ মামুলি পাথর। মানুষকে বোকা বানিয়ে অর্থ উপার্জনের জন্য ওই চারটি পাথর অভিযুক্তরা সঙ্গে রেখেছিল বলে জানা গিয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়াম স্টোন আশঙ্কায় বুধবার গ্রেফতার হয়েছিল ২ জন। ধৃতদের মধ্যে একজন সিঙ্গুরের বাসিন্দা আর অপরজনের বাড়ি হুগলির পোলবা থানার পাউনান গ্রামে। তাঁর নাম অসিত ঘোষ বলে জানা গিয়েছে।

আসলে ক্যালিফোর্নিয়াম পাথর (Californium Stone) দুর্মূল্য বস্তু। ১ গ্রামের দামই অন্তত ১৭ কোটি টাকা। পরমাণু বোমা তৈরি করার অন্যতম উপকরণ হিসেবেও ব্যবহার করা হয় এই পাথর। আশঙ্কা করা হয়েছিল, ওই দুই ব্যক্তি কলকাতা বিমানবন্দর দিয়ে চারটি ক্যালিফোর্নিয়াম পাথর নিয়ে যাচ্ছিল হুগলির ওই দুই বাসিন্দা। সূত্র মারফৎ সেই খবর পৌঁছয় CID-র কাছে। সেই মতোই আধিকারিকরা তৈরি হয়ে ছিলেন।

হুগলির দুই বাসিন্দাকে বিমানবন্দর চত্বরে দেখা মাত্রই সতর্ক হয়ে যান সিআইডি আধিকারিকরা। সঙ্গেসঙ্গেই আটক করে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আর তল্লাশি অভিযান চালাতেই ধূসর রঙের পাথরের মতো দেখতে রেডিও অ্যাক্টিভ পাথরগুলি ব্যাগ থেকে বেরিয়ে পড়ে। ধৃত দুই ব্যক্তির কাছ থেকে মোট ২৫০.৫ গ্রাম ওই পাথর উদ্ধার করা হয়েছিল। পাথরগুলির আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ২৫৮ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

কিন্তু নিশ্চিত হতেই পাথরগুলি পাঠানো হয়েছিল ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারে। সেখানকার প্রাথমিক রিপোর্টেই জানা গেল, ওই পাথরগুলি কোনওভাবেই ক্যালিফোর্নিয়াম বা ইরিডিয়াম নয়, সাধারণ পাথর জাতীয় কিছু। এমনকী পাথরগুলি তেমন মূল্যবানও নয়। সিআইডি-র দাবি, সাধারণ পাথর দিয়ে বোকা বানানোর জন্যই ওই ধাতব পদার্থ বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল অসিত ঘোষ ও শৈলেন কর্মকার।

Published by:Suman Biswas
First published: