শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি স্কুল শিক্ষা দফতরের, লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমেই নিয়োগ করবে SSC

শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি স্কুল শিক্ষা দফতরের, লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমেই নিয়োগ করবে SSC

নয়া নিয়োগবিধিতে গুরুত্ব থাকছে না মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের প্রাপ্ত নম্বরের। পোস্টিং এর ক্ষেত্রেও তৈরি হচ্ছে নয়া বিধি।

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগের নয়া বিধির বিজ্ঞপ্তি জারি করল  রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। এবার থেকে নয়া বিধি মেনেই স্কুলগুলিতে শিক্ষক নিয়োগ করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন। আর কোন মৌখিক বা ইন্টারভিউ থাকবে না। লিখিত পরীক্ষাই একমাত্র বিচার্য বিষয় হবে শিক্ষক নিয়োগের। শুধু তাই নয় উঠে যাচ্ছে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফলের জন্য বরাদ্দ নম্বরও। প্রত্যেক প্রার্থীকে দুটি করে লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে একটি হবে PET বা প্রিলিমিনারি টেস্ট এবং অন্যটি হবে বিষয়ের উপর পরীক্ষা এই দুইয়ের ভিত্তিতেই স্কুল সার্ভিস কমিশন প্রকাশ করবে চাকরি প্রার্থীদের তালিকা। এবার থেকে থাকবে না আলাদা করে কোনো মেধা তালিকা। এসএসসির নিয়োগ নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে তা রাজ্য সরকারকে জানাতে হবে। সরকারের সিদ্ধান্তই যে কোন অভিযোগের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত হবে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এমনই জানিয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর।

নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ এর নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলেও এখনো পর্যন্ত উচ্চ প্রাথমিক এর নিয়োগ প্রক্রিয়া আদালতের বিচারাধীন যার জেরে স্কুল সার্ভিস কমিশন এখনো পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি শূন্যপদে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে পারিনি। শুধুমাত্র উচ্চ প্রাথমিকের মেধা তালিকাই প্রকাশ করতে পেরেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। তারই মাঝে এবার রাজ্য সরকার এসএসসির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের নয়া বিধির বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিল। এবার দেখে নেওয়া যাক নতুন নিয়মে কি কি বলা হচ্ছে:

# নিয়োগ হবে লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে। এক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

# একজন পরীক্ষার্থীকে মোট ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। # প্রথমে ১০০ নম্বরের টেট অথবা প্রিলিমিনারি টেস্ট হবে। এক্ষেত্রে যারা  উচ্চ প্রাথমিকের জন্য আবেদন করবেন তাদেরকে দিতে হবে টেট। অন্যদিকে যারা নবম-দশম ও একাদশ- দ্বাদশেের জন্য আবেদন করবেন তাদের দিতে হবে প্রিলিমিনারি টেস্ট। # এরপর ২০০ নম্বরের আরো একটি লিখিত পরীক্ষা হবে। এই ২০০নম্বরের মধ্যে ৫০ নম্বর থাকবে ইংরেজির ওপর। আরেকটি ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে যে মাধ্যমের স্কুলে  পরীক্ষার্থী পড়াবেন সেই ভাষার ওপর। জামান বাংলা মাধ্যমের জন্য বাংলা তেমনি আবার হিন্দি মাধ্যমের জন্য হিন্দিতে পরীক্ষা দিতে হবে। # এরপর আরো ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে পরীক্ষার্থী যে বিষয়ের শিক্ষক হবেন সেই বিষয়ের উপর। # টেট বা  প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ হলেই তবেই বাকি ২০০ নম্বরের খাতা দেখা হবে। # এই দুই লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে মেধা তালিকা তৈরি হবে। # কি ধরনের শিক্ষক তার উপর ভিত্তি করে মোট পাঁচটি গ্রুপ করা হয়েছে একজন পরীক্ষার্থীর যোগ্যতা থাকলেই তিনি সব গ্রুপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

তবে শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়া নয়় বদল আনা হচ্ছে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রেও। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ধাঁচে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের চাকরির পোস্টিং দেওয়া হবে। সেই বিধি তৈরি করছে স্কুল শিক্ষা দফতর।

SOMRAJ BANDOPADHYAY

First published: March 1, 2020, 5:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर