Tangra Case: সঙ্গী গল্পের বই ও দাবা, 'বন্ধু' পুলিশ এখন ট্যাংরার নাবালকের মন ভাল করার দায়িত্বে
- Reported by:Amit Sarkar
- news18 bangla
- Published by:Rukmini Mazumder
Last Updated:
এনআরএস হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগে চিকিৎসাধীন দে পরিবারের নাবালক। মনে এখনও দগদগে ঘা, ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারির স্মৃতি,শারীরিক আঘাতের চিকিৎসা চললেও মনের ক্ষত সারাতে কাউন্সেলিং প্রয়োজন
কলকাতা: মন ভাল রাখতে গল্পের বই ও দাবা এখন ট্যাংরার নাবালকের ‘বন্ধু’! ‘বন্ধু’ পুলিশ এখন তার মন ভাল করার দায়িত্বে। এনআরএস হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগে চিকিৎসাধীন দে পরিবারের নাবালক। মনে এখনও দগদগে ঘা, ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারির স্মৃতি,শারীরিক আঘাতের চিকিৎসা চললেও মনের ক্ষত সারাতে কাউন্সেলিং প্রয়োজন। তাই শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আবেদন করা হয়েছে নাবালকের কাউন্সেলিং করানো হোক। নাবালককে হাতে দাবা ও গল্পের বই তুলে দেওয়া হয়েছে। দাবা পাওয়ার পর থেকে ওয়ার্ডে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীর সঙ্গে দাবাও খেলছে নাবালক। পুলিশের তরফেও তার মন ভাল রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে। গল্প করছেন পুলিশ কর্মীরাও।
ট্যাংরার দে পরিবারের জীবিত নাবালক শিশু সুরক্ষা কমিশনের কাছে মা, কাকিমা এবং দিদির মৃত্যু নিয়ে মুখ খুলেছে। তার সঙ্গে এনআরএস হাসপাতালে দেখা করতে গিয়েছিলেন শিশু সুরক্ষা কমিশনের পরামর্শদাতা এবং অন্য প্রতিনিধিরা। হাসপাতাল থেকে ছুটি পাওয়ার পর নাবালকের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। কোনও আত্মীয় তার দায়িত্ব নিতে চাননি। তার জন্য হোমের ব্যবস্থা করছে পুলিশ। নাবালক শিশু সুরক্ষা কমিশনকে জানিয়েছে, সে দাবা খেলতে পারে। পারিবারিক ব্যবসায় যে মন্দা দেখা দিয়েছে, কয়েক মাস আগেই তা সে পেয়েছিল। সে ভেবেছিল, দাবার টুর্নামেন্ট খেলে অর্থ উপার্জন করে পরিবারের দুঃখ ঘোচাবে। কিন্তু তার আগেই সপরিবার মৃত্যুর পরিকল্পনা তার কানে আসে। বাড়ির বড়দের একসঙ্গে বসে এ বিষয়ে কথা বলতে শুনেছিল সে। দাবি, সেই আলোচনায় তাকে থাকতে দেওয়া হয়নি। ঘর থেকে বার করে দেওয়া হয়েছিল।
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Feb 28, 2025 10:18 PM IST










