• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • কলেজ স্ট্রিটের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ খুললেন সূর্যকান্ত মিশ্র

কলেজ স্ট্রিটের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ খুললেন সূর্যকান্ত মিশ্র

এবিভিপি ও টিএমসিপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর । বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙা হয়েছে একাধিক আসবাব পত্র ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি।

এবিভিপি ও টিএমসিপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর । বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙা হয়েছে একাধিক আসবাব পত্র ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি।

এবিভিপি ও টিএমসিপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর । বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙা হয়েছে একাধিক আসবাব পত্র ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি।

  • Share this:

    #কলকাতা: অমিত শাহের রোড-শো ঘিরে কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে কলেজ স্ট্রিট । এবিভিপি ও টিএমসিপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উত্তাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর । বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙা হয়েছে একাধিক আসবাব পত্র ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি।

    গোটা ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বাংলার বাইরে থেকে আমদানি করা বিজেপির গুন্ডা, এমনই অভিযোগ তোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে । ঘটনার পর আজ বিদ্যাসাগর কলেজে গিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় । তিনি জানিয়েছেন,' যেভাবে আজ উত্তর কলকাতায় হিংসা ছড়ালো তার কঠোর নিন্দা করছি' । ঘটনার খবর পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির বিরুদ্ধে বাইরে থেকে লোক এনে হামলা করার মতো বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। সিপিআই(এম)-এর রাজ্য কমিটির সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘‘রোড শো’কে কেন্দ্র করে আজ কলকাতার বুকে তৃণমূল ও বিজেপি মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা যে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে ৷ এই ধরণের বর্বরোচিত ঘটনার মধ্যে দিয়ে মানুষের সামনে আরও স্পষ্ট হলো বিজেপি ও তৃণমূলের চরিত্র। দু’পক্ষই দুষ্কৃতী জড়ো করেছিল, যাঁদের অনেকেই বহিরাগত। দু’দলের পক্ষ থেকেই উসকানিমূলক ও প্ররোচনমূলক স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’দিক থেকেই ইটপাথর ছোঁড়া ও আগুন লাগানো হয়েছে ৷ হিংসাত্মক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এমনকি দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর করেছে বিদ্যাসাগরের মূর্তিও। তৃণমূল ও বিজেপি এধরণের ঘটনার মাধ্যমে তীব্র মেরুকরণের রাজনীতি করে মানুষকে ভাগ করতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার দায়িত্ব বামপন্থীদেরই নিতে হবে। অন্ধশক্তি যাতে পশ্চিমবঙ্গের সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ব্যাহত করতে না পারে তার জন্য সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনেরও দায়িত্ব রয়েছে স্বাধীনভাবে সমগ্র বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং ব্যবস্থা নেওয়া।

    First published: