পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ ভাটপাড়ায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jun 28, 2019 10:06 AM IST
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ ভাটপাড়ায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jun 28, 2019 10:06 AM IST

#ভাটপাড়া: ভাটপাড়ার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজই, শুক্রবার সেখানে যাচ্ছেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। রয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ভাটপাড়ার পরিস্থিতি ঘুরে দেখবেন তাঁরা। ফিরে এসে রিপোর্ট দেবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

গতকাল, বৃহস্পতিবার ভাটপাড়ায় গিয়েছিলেন বাংলার বিশিষ্টজনেদের একাংশ। প্রতিনিধি দলে ছিলেন অপর্ণা সেন, কৌশিক সেন, নাট্যকার চন্দন সেন সহ অন্যরা। সাধারণ মানুষ, সংঘর্ষে আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।

অপর্ণা সেন জানান, '' সাধারণ মানুষ কেন কষ্টে? কোথায় অসুবিধা? তা বোঝার জন‍্যই এখানে এসেছি। রাজনৈতিক রং না দেখে ব‍্যবস্থা নিক প্রশাসন।''

তিনি আরও জানান, ''সব জায়গায় পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু সাধারণ মানুষের পাশে আছি। রাজ‍্যে অবিলম্বে শান্তি-সম্প্রীতি ফিরুক। যা দেখছি প্রয়োজনে রাজ‍্যপালকে জানাব। মুখ‍্যমন্ত্রী, প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারি।''

২০জুন রণক্ষেত্রর আকার নেয় ভাটপাড়া। এলাকা দখল ঘিরে দুষ্কৃতী তাণ্ডবে নিহত ৩। আহত চার। চলতে থাকে দফায় দফায় বোমাবাজি সঙ্গে গুলির লড়াই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস, শূন্যে গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ। ভাটপাড়া ও জগদ্দলে জারি হয় ১৪৪ ধারা। এক রাতের জন্য বন্ধ রাখা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা।

Loading...

লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই উত্তপ্ত ভাটপাড়া। এলাকায় নিরাপত্তা বাড়াতে ২০ জুন উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল ভাটপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের। তার আগেই দুষ্কৃতী তাণ্ডবে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। বেলা ১০টায় নতুন তদন্তকেন্দ্র উদ্বোধনে ব্যস্ত ছিল পুলিশ। বেলা এগারটায় তদন্তকেন্দ্র উদ্বোধন করতে আসার কথা ছিল রাজ্য পুলিশের ডিজির। আচমকা ভাটপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পিছনের রাস্তায় শুরু হয় বোমাবাজি। ২০ নম্বর গলি থেকে মুহুর্মুহু উড়ে আসতে থাকে বোমা। আধঘণ্টা ধরে কাঁকিনাড়া স্টেশন, ভাটপাড়া পুরসভা সংলগ্ন বিভিন্ন বস্তি এলাকায় বোমাবাজি চালায় মুখ-ঢাকা দুষ্কৃতীরা। চলে গুলিও।

পুলিশ প্রথমে দুষ্কৃতীদের তাড়া করলেও , সংখ্যায় কম থাকায় ফিরে আসতে হয়। পরে বিশাল বাহিনী নিয়ে এলাকায় ঢোকে পুলিশ। নামে র‍্যাফ, কমব্যাট ফোর্স। শুরু হয় দু’পক্ষের খণ্ডয়ুদ্ধ ।

পুলিশকে লক্ষ করে বোমা, গুলি ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। গণ্ডগোল থামাতে পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। চলে কাঁদানে গ্যাস। দুষ্কৃতীদের ছত্রভঙ্গ করতে শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলিও ছোঁড়ে পুলিশ। দু’পক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। মৃত্যুও হয়। জখমও হন বেশ কয়েকজন। ঘণ্টা তিনেক তাণ্ডবের পর চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।

এলাকা থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা। ঘটনা ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

নতুন করে গোলমালে আতঙ্ক বাড়তে থাকে। ঘটনার পর থেকেই বন্ধ দোকান-বাজার, শুনশান রাস্তাঘাট।

ভাটপাড়ার মোড়ে মোড়ে পুলিশ পিকেট, রাস্তায় র‍্যাফ, চলছে পুলিশের কড়া টহলদারি। অনেকেই আতঙ্কে এলাকা ছাড়তে শুরু করেন।

First published: 10:00:42 AM Jun 28, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर