মস্তিস্কে রক্তক্ষরণের জেরে শর্বরীর মৃত্যু, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ‌প্রকাশ্যে

মস্তিস্কে রক্তক্ষরণের জেরে শর্বরীর মৃত্যু, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ‌প্রকাশ্যে
পরিবার সূত্রে খবর, শৌচাগারে চিৎ হয়ে পড়েছিল দেহ। বাঁ পায়ের গোড়ালিতে কাটা দাগ ও গোড়ালি থেকে রক্তক্ষরণ চিহ্ন পাওয়া যায়।

পরিবার সূত্রে খবর, শৌচাগারে চিৎ হয়ে পড়েছিল দেহ। বাঁ পায়ের গোড়ালিতে কাটা দাগ ও গোড়ালি থেকে রক্তক্ষরণ চিহ্ন পাওয়া যায়।

  • Share this:

    #‌কলকাতা:‌ বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার শর্বরী দত্তের মৃত্যু হয়েছে সেরিব্রাল অ্যাটাকেই। ময়নাদন্তের রিপোর্টে তেমনটাই জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর সেরিব্রালের জেরে পড়ে যান শর্বরী, পড়ে গিয়ে শরীরে একাধিক আঘাত লাগে। সেই আঘাতের চিহ্নই রয়ে যায় তাঁর শরীরে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শৌচাগার থেকে উদ্ধার করা হয় বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার শর্বরী দত্তের দেহ। কিন্তু সেই সময়ে দেখা যায় তাঁর শরীরে অনেকগুলি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেই কারণেই তাঁর মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন দানা বাঁধে। তারপর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। শুক্রবার বিকেলে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যায়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণেই শর্বরী দত্তের মৃত্যু হয়েছে। মানে, পড়ে যাওয়ার ফলে তাঁর ইন্টারনাল হ্যামারেজ হয়। জানা গিয়েছে, প্রায় ৩৬ ঘণ্টা আগে শর্বরী দত্তের মৃত্যু হয়েছিল। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ভোরবেলা শর্বরীর সেরিব্রাল স্ট্রোক হয় বলে পুলিশের অনুমান। কেওড়াতলা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয় শর্বরীর মরদেহ।

    পরিবার সূত্রে খবর, শৌচাগারে চিৎ হয়ে পড়েছিল দেহ। বাঁ পায়ের গোড়ালিতে কাটা দাগ ও গোড়ালি থেকে রক্তক্ষরণ চিহ্ন পাওয়া যায়। তাই প্রথমটায় বোঝা যায়নি কীভাবে পায়ে কাটা দাগ এল। কারণ পড়ে গেলে মাথার পিছনে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু শর্বরীর মাথার পিছনে আঘাতের কোনও চিহ্ন ছিল না। কানের পাশে আঘাতের চিহ্ন ছিল, দাবি করেন পারিবারিক চিকিৎসক। শর্বরী দত্তর দেহের পাশে রক্ত পড়েছিল। বাথরুমের সিঁড়ির কাছে দেহ পড়েছিল, দাবি পরিবারের। সেখান থেকে দেহ বেডরুমে আনা হয়। শর্বরী দত্তের বেশ কিছু ওষুধ ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর পর ছেলে অমলিন দত্ত দাবি করেন,‘বুধবার রাতে মায়ের সঙ্গে শেষ দেখা হয়,গতকাল সারাদিন মাকে দেখতে পায়নি’।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published:

    লেটেস্ট খবর