corona virus btn
corona virus btn
Loading

রসগোল্লা যে বাংলারই, তা প্রমাণ হল কিভাবে জানেন?

রসগোল্লা যে বাংলারই, তা প্রমাণ হল কিভাবে জানেন?
Rosogulla v/s Rasgulla

রসগোল্লা যে বাংলারই, তা প্রমাণ হল কিভাবে জানেন?

  • Share this:

#কলকাতা: রসগোল্লার জন্ম কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে দীর্ঘ দড়ি টানাটানির পর বাংলার সম্পদ বলেই ঘোষিত হল বাঙালির প্রিয় রসগোল্লা ৷ ওড়িশাকে হারিয়ে, রসগোল্লার জিআই রেজিস্ট্রেশন পেল পশ্চিমবঙ্গ। জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন জানাল, রসগোল্লা বাংলার নিজস্ব উৎপাদন।

রসগোল্লা তুমি কার? মিষ্টি এক, দাবি দুই রাজ্যের। বাঙালির দিপুদা-র মধ্যমণি পড়শি রাজ্যের পুরী। বাঙালির অন্যতম প্রিয় জায়গা। পুরী গেলে জগন্নাথ দেবের দর্শন আর খাজা মাস্ট। বাংলা আর ওড়িশার রাজনৈতিক সীমানাও মিলেমিশে এক। তবে রসগোল্লার অধিকার নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছিল দুই রাজ্য।

নামে মিল থাকলেও দু'রাজ্যের রসগোল্লার আকৃতি ও চরিত্রে কিছু অমিলও আছে। দু'রাজ্যের বিশেষজ্ঞ ও মিষ্টি প্রেমিকরা কোমর বেঁধে নেমে পড়েছিলেন ময়দানে। তথ্যপ্রমাণ যোগাড়ে ভরসা যোগায় ইতিহাস। প্রাচীন পুঁথি থেকে পান্ডুলিপি ঘেঁটে তাঁরা দাবি করেন, রসগোল্লায় তাঁদেরই অধিকার। তবে দু'বছরের আইনি লড়াইয়ের পর জিওগ্র্যাফিক্যাল ইন্ডিকেশন জানিয়েছে ওড়িশা নয়, রসগোল্লা বাংলার সম্পদ।

যে সাত বৈশিষ্ট্যে রসগোল্লার স্বত্ত্ব জিতল বাংলা তা হল-

বাংলার রসগোল্লার স্পঞ্জি ফিচার ইউনিক বাংলার রসগোল্লা নরম ও তুলতুলে বাংলার রসগোল্লা মুখে দিলেই গলে যায় রাজ্যের রসগোল্লায় চিনির রসের ব্যবহার কম ময়দা ও সুজি একেবারেই ব্যবহার করা হয় না বাংলার রসগোল্লায় রসের পরিমাণ থাকে ৫০%

রাজ্যের পাঠানো এই রিপোর্টকেই স্বীকৃতি জিআই-এর ৷

অন্যদিকে, ওড়িশার রসগোল্লা-

- ক্ষীর ও সুজি থেকে হয় -রং হয় লাল -রস হয় মোটা -মিষ্টি স্বাদ আনতে গুড়ের ব্যবহার

এই বাংলায় ১৮৬৪ সালে নবীনচন্দ্র দাস প্রথম রসগোল্লা তৈরি করতে শুরু করেন। ১৮৬৮ সালে বর্তমান রসগোল্লায় আত্মপ্রকাশ। আর ওড়িশায় রসগোল্লার জন্মের দাবি অপেক্ষাকৃত নতুন। তাই ওড়িশার দাবি ধোপে টেকে না। জানিয়েছেন রসগোল্লা বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়াও তাঁদের বক্তব্য, অবিভক্ত বাংলা-বিহার-ওড়িশায় রসগোল্লার প্রমাণ পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে আলাদা করে রসগোল্লা নিয়ে ওড়িশার দাবি কখনই বাস্তবসম্মত নয়। কেউ কেউ তো দাবি করেছেন, রসগোল্লা নাকি প্রথম তৈরি হয়েছিল এই বাংলারই নদিয়ায়।

রসযুদ্ধে দাবি, পাল্টা দাবির লড়াইয়ে শেষহাসি হাসল বাংলাই। বাঙালির পাতে স্বমহিমায় রসগোল্লাকে পেয়ে মিষ্টিমুখ রাজ্যবাসীর। বাংলা ঐতিহ্য ধরে রাখতে পেরে খুশি মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরাও।

First published: November 17, 2017, 1:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर