• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • RAIL STARTED CAMPAIGN TO PROTECT PASSENGERS FROM CORONA VIRUS SDG

কাছে আসলেই 'কুছ কুছ' হবে, করোনা নিয়ে অভিনব প্রচারে রেল

কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী। গুজরাট থেকে অসম। বিস্তৃত রেলপথে প্রতিদিন যাতায়াত করেন কয়েক কোটি মানুষ।

কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী। গুজরাট থেকে অসম। বিস্তৃত রেলপথে প্রতিদিন যাতায়াত করেন কয়েক কোটি মানুষ।

  • Share this:

#কলকাতা: হাত ধোলে বেটা, নেহি তো......গব্বর আ যায়েগা। গব্বর কে জয় আর বীরু আটকে দিতেই পারে, কিন্তু করোনা'কে তো এভাবে আটকানো সম্ভব নয়। তাই গব্বর তার চিরাচরিত ঢঙে সচেতন করার কাজ শুরু করছে।

অন্যদিকে, রাহুল তার পাশে আসতে বলছে বটে, কিন্তু তা বলে হাত বাড়িয়ে দেবেন না। রাহুলের হাসি আপনার মন ভোলাতে পারে, তবে করোনা আটকাতে পারবে না।  ভারতীয় রেল সিনেমার চরিত্রের মাধ্যমে  অভিনব প্রচার শুরু করেছে। বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশনে এবং রেলের সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় রেল, গণ পরিবহণে দেশের অন্যতম মাধ্যম। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী। গুজরাট থেকে অসম। বিস্তৃত রেলপথে প্রতিদিন যাতায়াত করেন কয়েক কোটি মানুষ। আর এই জায়গাতেই সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেই এই অভিনব প্রচার কৌশল বেছে নেওয়া হয়েছে। রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের দাবি, এই অভিনব প্রচারের ফলে সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ সম্ভব।

এতো গেল প্রচারের কথা। করোনা'র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিভিন্ন রেল কারশেডে শুরু হয়ে গেছে জীবাণুমুক্ত করার কাজ। লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেনে চলছে জীবাণুনাশক করার কাজ। প্রতিটি ট্রেনের শৌচালয় ও প্যান্ট্রিকারে বারবার করে জীবানুমুক্ত করা হচ্ছে। একইসাথে প্রথম শ্রেণী থেকে তৃতীয় শ্রেণীর এসি কামরার বিভিন্ন কোণে স্প্রে করা হচ্ছে। মোছা হচ্ছে দরজা, জানলা ও আসন। স্লিপার ক্লাসেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্লিপার ক্লাসের শৌচালয়ে।

ইতিমধ্যেই দক্ষিণ পূর্ব রেল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে এসি কামরায় কোনও চাদর বা কম্বল দেওয়া হবে না। তবে যদি কোনও যাত্রী নিজে থেকে এটা চেয়ে নেন, তাহলে তাঁকে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, ট্রেনের কামরায় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে রাখা থাকবে। দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সঞ্জয় ঘোষ বলেন, "করোনা নিয়ে রেলের চিকিৎসকদের তরফ থেকে কিছু গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে, সেটা মেনেই আমরা যাবতীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।" একই রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে পূর্ব রেলও। বিশেষ করে মালদহ ও শিয়ালদহ ডিভিশনে। কারণ এই দুই ডিভিশন এলাকার কাছে সীমান্ত ও বন্দর আছে। এছাড়া বিদেশিদের যাতায়াত এখানে বেশি৷

পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক নিখিল চক্রবর্তী জানান, "সব জায়গায় চিকিৎসকরা থাকছেন। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ঘোষণা চলছে। যাত্রীদের অসুবিধা হবেনা।" করোনা নিয়ে সচেতনতা চালাচ্ছে মেট্রোরেল। একাধিক স্টেশনে চিকিৎসক ও রেল আধিকারিকরা যাত্রীদের সাথে কথা বলছেন। নোয়াপাড়া কারশেডে চলছে রেক স্যানিটাইজেশনের কাজ। প্রতিটি মেট্রো রেক কারশেডে গেলেই জীবাণুমুক্ত করার কাজ চলছে। মেট্রোরেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোতেও একই ব্যবস্থা জারি রয়েছে।

ABIR GHOSHAL

Published by:Shubhagata Dey
First published: