'হাতে টাকা আর গুন্ডা থাকলেই...' পদে না থেকেও অনুব্রতের এত রোয়াব কেন? বুঝিয়ে বললেন দিলীপ ঘোষ
- Reported by:Anup Chakraborty
- Published by:Tias Banerjee
Dilip Ghosh On Anubrata Mondal: সাহসী কণ্ঠে আবারও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন দিলীপ ঘোষ। তবে তা অভিমানে ঢাকা, না কি রাজনীতির নিঃশব্দ বার্তা—তা সময়ই বলবে।
‘মোদী এলেন, ডাকা হল না’—ফের অভিমানী দিলীপ ঘোষ
“বড় নেতারা যদি না ডাকেন, আমি যাই না। ওরা যাদের ডাকেন, তারাই যান। আমার যাওয়ার দরকার হয় না। যদি কোনও দায়িত্ব থাকে, ডাকলেই আমি সেটা পালন করি।”
আরও পড়ুন- বর্ষায় বাড়িতে ঢুকবে না একটাও সাপ! ৫ সহজ ‘উপায়’ জানুন…লেজ তুলে পালাবে বিষধর সরীসৃপ!
কথার মধ্যেই যেন লুকিয়ে রইল ক্ষোভের সুর। ওয়েস্টিন হোটেল থেকে তাঁর বাড়ি মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে হলেও, এখন আর সেখানে যাওয়া হয় না।
“আগে যেতাম, তখন রাজ্য সভাপতি ছিলাম। উনি এলে স্বাগত জানাতাম, পাশে থাকতাম। এখন অন্যরা সেই দায়িত্বে আছেন। আমি এখন কর্মীদের সঙ্গে থাকি।”
“নেতার পিছনে ঘোরার একটা ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে”
“কিসের অভিমান? এখন একটা কালচার তৈরি হয়েছে—নেতার পিছনে পিছনে ১০০-২০০ লোক ঘুরে বেড়ায়। নেতা দেখেও না। কিছু কাজও করে না। বিজেপির নিজস্ব ডিসিপ্লিন আছে। কোথায় কে যাবে তা দল ঠিক করে। আমি সেটাই মানি।”
কেষ্ট প্রসঙ্গে কটাক্ষ—“এতো অধঃপতন বাংলার আগে কখনও দেখিনি”
“দশ বছর ধরে ওঁর ভাষা শুনছি। এবার সৌভাগ্য হল, দলের কর্মীদের সঙ্গেও উনি কীভাবে কথা বলেন, তা শুনলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপহার এমন কিছু নেতা, যারা বাংলার সংস্কৃতিকে কলুষিত করছে।”
“একটা পার্টি যার অধিকাংশ নেতাই দুর্নীতিগ্রস্ত। কেউ জেলে, কেউ ফিরেছে, কেউ যেতে তৈরি। এমন পতন আগে কখনও দেখিনি। মানুষ হাঁপিয়ে উঠেছে, মুক্তি চাইছে।”
“পদে না থেকেও অনুব্রতের এত রোয়াব কেন?”
“ওঁর কাছে টাকা কামানোর সব সোর্স আছে। তৃণমূলে কে কোন পদে আছে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কার হাতে টাকা আর গুন্ডা আছে, সেটাই আসল। বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী না হয়েও ৫০০ কোটি টাকার মালিক হওয়া একমাত্র তৃণমূলেই সম্ভব।”
আপনিও কি এমন ভাষা ব্যবহার করতেন না?
“আমি কখনও ব্যক্তিগত আক্রমণ করিনি। মজা করতাম। ডিসিপ্লিনের বাইরে যাইনি। কেউ অকারণে কিছু বললে, তার প্রতিবাদ করার অধিকার আমার আছে।”










