Home /News /kolkata /
Bangla News|| নকশালদের 'গানে' বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

Bangla News|| নকশালদের 'গানে' বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

Naxal Songs: গান্ধি মূর্তিতে যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চের চাকুরী প্রার্থীদের ২২৩ দিন অবস্থানের সমর্থনে এ দিন পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদ মঞ্চে হয়ে বক্তব্য ও গণসংগীতে সংহতি জ্ঞাপন করা হয়।

  • Share this:

#কলকাতা: 'বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস' একটা সময় এই শ্লোগান কে সামনে রেখে বাংলা উত্তাল করেছিল নকশালরা। এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। বন্দুক ছেড়ে সংসদীয় রাজনীতিতে পা রেখেছে চারু মজুমদারের দল। এটাও কম দিন হয়নি। গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আন্দোলন, মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে রাজ্যব্যাপী আন্দোলন করছে সিপিআইএম লিবারেশন। এই দাবিতে বৃহস্পতিবার রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে দলের কলকাতা জেলা কমিটি। মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে ২৮ মে' শনিবার যাদবপুর এইটবি বাসস্ট্যান্ড থেকে বাঘাযতীন মোড় পর্যন্ত যাবে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।

শুক্রবার গান্ধি মূর্তিতে যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চের চাকুরী প্রার্থীদের ২২৩ দিন অবস্থানের সমর্থনে এদিন পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদ মঞ্চে হয়ে বক্তব্য ও গণসংগীতে সংহতি জ্ঞাপন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সম্পাদক সরিৎ চক্রবর্তী, মেহুলি চক্রবর্তী ও গণ কবিয়াল নীতীশ রায় উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ চাকরি প্রার্থীদের সমর্থনে সঙ্গীত পরিবেশন করার সময়ে গান করতে বাঁধা দেওয়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। পালটা এর প্রতিবাদ জানান সংগঠনের সদস্যরা। যদিও পরে মিনিট দশেকের জন্য গান করার অনুমতি মেলে। পশ্চিমবঙ্গ গণ সংস্কৃতি পরিষদের রাজ্য সম্পাদক সরিৎ চক্রবর্তী বলেন, 'এসএসসি চাকরি প্রার্থীদের যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চ ২২৩ দিন ধরে গান্ধীমূর্তীর পাদদেশে খোলা আকাশের নীচে অবস্থান চালাচ্ছে।'

আরও পড়ুন: দীর্ঘ ধর্মঘট চলছিল, অবশেষে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকা শ্রমিকদের বেতন চালু

তাদের দ্রুত নিয়োগের দাবিতে ও ন্যায্য দাবির সমর্থনে আজ পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সাংস্কৃতিক কর্মীরা অবস্থান মঞ্চে সংহতি জানাতে যান। আন্দোলনকারীদের মনোবল বাড়াতে সাংস্কৃতিক কর্মী মেহুলি খালি গলায় রবীন্দ্রনাথের গান ধরে, 'এ বার তোর মরা গাঙে বান এসেছে', তাতে গলা মেলায় সমস্ত আন্দোলনকারীরা। সঙ্গে সঙ্গে গান থামাতে ছুটে আসে পুলিশ। তাদের বক্তব্য গান গাওয়া চলবে না। তাদের কাছে আজ গান যেন GUN হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে পড়ে পুলিশক রণে ভঙ্গ দিতে হয়। দীর্ঘক্ষণ অবস্থান মঞ্চ গানে ও শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। আমরা পুলিশের এই অগণতান্ত্রিক আচরণের তীব্র বিরোধিতা জানাচ্ছি।" একটা সময় 'ওরা আমাদের গান গাইতে দেয় না পল রোবসন', এই গানকে সামনে রেখে আন্দোলন করেছিল বামেরা। এ দিন তারই পুনরায় আবির্ভাব ঘটেছে বলেই মনে করছেন সংগঠনের নেতাদের একাংশ।

UJJAL ROY

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: Naxal

পরবর্তী খবর