করোনা থেকে বাঁচতে এবার 'লকডাউন' ভেঙে পুজো দিতে গেলেন পুণ্যার্থীরা
- Published by:Dolon Chattopadhyay
Last Updated:
রীতিমত লকডাউন ভেঙে বেরোলেন পুজো দিতে। তাদের বিশ্বাস ভগবানকে সন্তুষ্ট করলেই কর্ম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
#কলকাতা: করোনার ছড়িয়ে পড়া আটকাতে দেশজুড়ে 'লকডাউন' ঘোষণা করা হয়েছে। জরুরি পরিষেবা সঙ্গে যুক্ত ছাড়া প্রত্যেককে বলা হয়েছে বাড়ির ভিতরে থাকতে। বেশিরভাগ মানুষই সেটি মেনে চলছেন ৷ কিন্তু কিছু মানুষ আছেন যারা লকডাউন ভেঙে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন। কেউ চায়ের ঠেকে কেউ বা জয় রাইডে বেরিয়েছেন ৷ কেউ বা আবার পাড়ার মোড়ে আড্ডাতে মশগুল আবার কেউ রয়েছে তাসের আসরে। প্রশাসনের তরফ থেকে বারবার বলা সত্ত্বেও লকডাউন ভেঙে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়ছেন তারা। এই সব পরিচিত ছবির পাশাপাশি নতুন এক ছবি উঠে এল ৷ 'লকডাউন' উপেক্ষা করে পুজো দিতে যাওয়া। মঙ্গলবার এমনই এক দৃশ্য দেখা গেল ধর্মতলা চত্বরে ৷
কথায় বলে 'বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর'। আর এই যুক্তিকে হাতিয়ার করেই করোনার হাত থেকে রক্ষা পেতে চাইছেন কয়েকজন পুণ্যার্থী। রীতিমত লকডাউন ভেঙে বেরোলেন পুজো দিতে। তাদের বিশ্বাস ভগবানকে সন্তুষ্ট করলেই কর্ম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। কিন্তু এই লোকডাউনে রাস্তায় বেরোনো তো নিষেধ। মন্দিরে একসঙ্গে পুজো দিতে যাওয়াও যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। তবুও রাস্তায় বেরিয়েছেন তারা। পুনম সিং নামে পুজো দিতে যাওয়া এক মহিলা বলেন, "করোনা তার একটাই কারণ ভগবান রুষ্ট হয়েছেন। তাই সবার আগে প্রয়োজন ভগবানকে তুষ্ট করা তাহলেই করোনা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই নিজের পরিবারের জন্য দেশের জন্য এমনকি সারা পৃথিবীর জন্য আমি পুজো দিতে যাচ্ছি।" সরলা পান্ডে নামে আরও এক পুণ্যার্থী জানান, "মানুষের হাতে সব কিছু থাকে না। সারা পৃথিবীতে এত মানুষ আছেন কিন্তু কেউ কি পারছে করোনা আটকাতে? করোনা পৃথিবী থেকে যদি কেউ মুছে ফেলতে পারেন তা একমাত্র ভগবানই পারবেন। আমি নিজের পরিবারের পাশাপাশি ডাক্তার, পুলিশ, সাফাই কর্মী-সহ প্রত্যেকের জন্য পুজো দিতে যাচ্ছি যারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সময়ে কাজ করছেন।"
advertisement
করোনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে ইতিমধ্যেই লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষ ছাড়া কাউকেই বাড়ি থেকে বেরোতে মানা করা হয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি হয়েছেন। ধর্মস্থানের দরজাও বন্ধ হয়েছে বহু জায়গায়। কিন্তু তবু কিছু মানুষ আছেন যারা লকডাউনকে ভেঙে রাস্তায় বের হচ্ছেন। আর এইসব মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রশাসনকে। তাই কোনও কোনও পক্ষ এদেরকে আটকাতে কঠিন পথ নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন। কিন্তু বিশ্বাস আর তর্কের মাঝখানের মানুষ তার আগেই সচেতন হবেন বলেই আশা করছেন অনেকে ৷
advertisement
Location :
First Published :
Mar 25, 2020 12:04 AM IST








