কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

 সঠিক সিদ্ধান্ত! কোনও দর্শক ছাড়াই পুজো করবে ঐতিহ্যবাহী সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার

 সঠিক সিদ্ধান্ত! কোনও দর্শক ছাড়াই পুজো করবে ঐতিহ্যবাহী সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের অতীতের মূর্তি।

পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবছর তাঁদের প্রতিমা তৈরি করছেন শিল্পী মিন্টু পাল।

  • Share this:

#কলকাতা: পুজো এবার শুধু নিজেদের পাড়ায় আবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার। দর্শক ছাড়াই এবার  সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো হবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুজো মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন শুধুই পাড়ার বাসিন্দারা। মণ্ডপ দূরের কথা, পুজোর মাঠেও এবার ঢুকতে পারবেন না দর্শকরা।

করোনা মহামারীর মধ্যেই এবার রাজ্যে হচ্ছে দুর্গাপুজো। ভিড় করলে করোনা সংক্রমণ বাড়বে, এই আশঙ্কাতেই এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল শহরের নামী পুজো উদ্যোক্তা সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার। পুজোর সময় মণ্ডপে দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুজো কমিটি।প্রতিমা দর্শন থেকে পুজো, আলোকসজ্জা; সবটাই দর্শনার্থীদের দেখার সুযোগ করে দেওয়া হবে ভার্চুয়ালি। ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার। শহরের অন্যতম প্রাচীন এই দুর্গোৎসব কমিটির পুজো মণ্ডপ একেবারে তৈরি। তৈরি আলোকসজ্জাও। যা দেখতে  দেখার জন্য ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। সেই ভিড় এড়াতেই এবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্লাব কর্তারা। এবার মণ্ডপের দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ক্লাব। অর্থাৎ প্রতিমা দর্শন থেকে আলোকসজ্জা, পুজো দেখা- সবটাই ভার্চুয়ালি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।লকডাউনের মধ্যে প্রতিমা শিল্পীকে অগ্রিম দিয়েই প্রস্তুতি শুরু করেছিল সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার।

পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবছর তাঁদের প্রতিমা তৈরি করছেন  শিল্পী মিন্টু পাল। প্রতি বছরই থিমের চমকে আলাদা করে নজর কাড়ে মধ্য কলকাতার এই হেভিওয়েট পুজো। এই মণ্ডপেই মায়ের গায়ে উঠেছিল সোনার শাড়ি। তৈরি করা হয়েছিল বিশালাকার রথ। সেই রথ রুপোর পাত দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল। লেবুতলার সোনার পাতে মোড়া দুর্গা প্রতিমা দেখে গতবছর লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীর চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছিল

পুজো কমিটির সম্পাদক সজল ঘোষ বলেছেন- “দুর্গাপুজোকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে কয়েক হাজার কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়। পুজো না হলে, বাজারটা পুরো ধ্বংস হয়ে যাবে। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন হাজার হাজার গরিব মানুষ। আবার যদি অসুখটা বেড়ে যায় তাহলে পুজো দেখতে আসাটাই কারণ হয়ে থাকবে। তাই, পুজো এবার শুধু পাড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, বাকিরা দেখবেন ভার্চুয়ালি”।

*SUJIT BHOWMIK*

Published by: Arka Deb
First published: October 15, 2020, 11:50 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर