ভোটের আগে নয়া চমক, মার্চ-এপ্রিল মাসে মিড-ডে মিলে অতিরিক্ত বরাদ্দ রাজ্যের

ভোটের আগে নয়া চমক, মার্চ-এপ্রিল মাসে মিড-ডে মিলে অতিরিক্ত বরাদ্দ রাজ্যের
লকডাউন এর সময় থেকেই পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল দেওয়া হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফে। করোনা পরিস্থিতি ও ছাত্র-ছাত্রীদের শরীরের কথা মাথায় রেখে মিড ডে মিল এর সঙ্গে একাধিক দ্রব্য সংযোজন করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।

লকডাউন এর সময় থেকেই পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল দেওয়া হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফে। করোনা পরিস্থিতি ও ছাত্র-ছাত্রীদের শরীরের কথা মাথায় রেখে মিড ডে মিল এর সঙ্গে একাধিক দ্রব্য সংযোজন করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।

  • Share this:

#কলকাতা: ভোটের আগে নয়া চমক রাজ্য সরকারের। ছাত্র কিছু মিড ডে মিলের বরাদ্দ বাড়াল ৮৬ টাকা। শুধুমাত্র মার্চ এপ্রিল মাসের জন্যই এই বরাদ্দ রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তরের। মঙ্গলবারই এই বিষয় নিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে মার্চ-এপ্রিল মাসে চাল, ছোলা, আলু, সাবানের সঙ্গে সঙ্গে ডাল, সয়াবিন ও চিনি দেওয়া হবে। মূলত অতিরিক্ত হিসাবে ডাল সোয়াবিন ও চিনি দেওয়ার জন্য ৮৬ টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে এই অতিরিক্ত জিনিসগুলি স্কুলগুলির নিজেরাই কিনে নিয়ে পড়ুয়াদের দেবে বলে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। এদিকে মার্চ-এপ্রিল মাসে মিড ডে মিলের এই সংযোজন নিয়ে রাজনীতির কৌশলী দেখছেন বিরোধীরা।

লকডাউন এর সময় থেকেই পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল দেওয়া হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফে। করোনা পরিস্থিতি ও ছাত্র-ছাত্রীদের শরীরের কথা মাথায় রেখে মিড ডে মিল এর সঙ্গে একাধিক দ্রব্য সংযোজন করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। বিশেষত কখনো ছোলা কখনো সোয়াবিন মিড ডে মিলের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে করোনা পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে ছাত্র-ছাত্রীদের পুষ্টি বাড়ানোর জন্যই এই সংযোজন গুলি করা হয়েছিল বলেই রাজ্যের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল। মূলত ফেব্রুয়ারি মাস  অর্থাৎ চলতি মাসে ও দু কেজি করে চাল, ১ কেজি আলু,১ কেজি ছোলা এবং একটি করে সাবান দেওয়া হবে। মার্চ এপ্রিল মাস থেকে এই তালিকা আরও বাড়তে চলেছে। রাজ্যের তরফ এ প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে আড়াইশো গ্রাম ডাল,২০০ গ্রাম সোয়াবিন এবং পাঁচশ গ্রাম চিনি অতিরিক্ত হিসেবে দেওয়া হবে এই দুই মাস। এক্ষেত্রে অবশ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তরের যুক্তি করোনা পরিস্থিতি এবং ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


অন্যদিকে মার্চ-এপ্রিল মাসে মিড ডে মিলে অতিরিক্ত বরাদ্দের পিছনে বিরোধীরা রাজনীতিকে দায়ী করছেন। মার্চ-এপ্রিল মাসে মিড ডে মিলে অতিরিক্ত বরাদ্দ পিছনে বিজেপি অবশ্য দাবি করেছে রাজনীতির জন্যই সরকার অতিরিক্ত বরাদ্দ বাড়িয়েছে। এতদিন কেন এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। সূত্রের খবর নির্বাচনী বিধি জারি হয়ে গেলে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর এই ধরনের নির্দেশিকা জারি করতে পারবে না। আর তাই তড়িঘড়ি মার্চ- এপ্রিল মাসের মিড ডে মিলে কি দেওয়া হবে তা নিয়ে নির্দেশিকা জারি করে দেওয়া হয়েছে। এমনটাই খবর স্কুল শিক্ষা দপ্তর সূত্রে। তবে মার্চ এপ্রিল মাসের কোন কোন সময় মিড-ডে-মিল দেওয়া হবে স্কুল গুলি থেকে তার নির্দিষ্ট সময় জানিয়ে দেওয়া হবে বলে স্কুল শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর।

 সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়

Published by:Arka Deb
First published:

লেটেস্ট খবর