অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ মিলেনিয়াম পার্ক! বন্ধ শিপিং জেটি ঘাটও! নিরাপত্তার জন্যই পদক্ষেপ, জানাল কলকাতা পুলিশ
- Reported by:Priti Saha
- news18 bangla
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
সিইও অফিসে অশান্তির জেরে স্ট্যান্ড রোড-সহ একাধিক এলাকায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মিলেনিয়াম পার্কও। নিরাপত্তা বজায় রাখতে Kolkata Police এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পার্কটি বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি স্ট্যান্ড রোডের একটি অংশেও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
কলকাতা: সিইও অফিসে অশান্তির জেরে স্ট্যান্ড রোড-সহ একাধিক জায়গায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। আর শুক্রবার বন্ধ করা হল মিলেনিয়াম পার্কও। নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ আসা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ওই পার্ক। এমনকি বন্ধ করে রাখা হয়েছে স্ট্যান্ড রোডে-এর একাংশ। মিলেনিয়াম পার্কের ভিতরে যারা ছিলেন তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শিপিং জেটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। হাওড়া স্টেশন থেকে বহু মানুষ এই পাড়ে আসতে এই ঘাট ব্যবহার করেন। আবার এপাড় থেকে লঞ্চের মাধ্যমে ওপারে যান তারা। তবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হল সেই ফেরিঘাট।
কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসের বাইরে অশান্তির ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করল পুলিশ৷ অভিযুক্তদের মধ্যে কলকাতা পুরসভার দু জন তৃণমূল কাউন্সিলরও রয়েছেন৷ হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ এই এফআইআর দায়ের করেছে বলে খবর৷
নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার অভিযুক্ত দুই তৃণমূল কাউন্সিলর হলেন শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু (৩২ নম্বর ওয়ার্ড) এবং সচিন সিং (৩৬ নম্বর ওয়ার্ড)৷ এ ছাড়াও মহম্মদ ওয়াসিম, মইদুল, চন্দ্রকান্ত সিং এবং মহম্মদ রিজওয়ান আলি নামে আরও চারজনের বিরুদ্ধে অশান্তির ঘটনায় জামিন অযোগ্য ধারায় মামলার রুজু হয়েছে।
advertisement
advertisement
গত ৩১ মার্চ স্ট্র্যান্ড রোডের সামনে ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে৷ তৃণমূল এবং বিজেপি-র সংঘর্ষ তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়৷ কোনওক্রমে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ এলাকায় জমায়েত রুখতে জারি করা হয়েৃ বিএনএস-এর ১৬৩ ধারা৷ ওই দিন রাতেও অভিযুক্ত দুই তৃণমূল কাউন্সিলর পুলিশের আপত্তি অগ্রাহ্য করে কমিশনের অফিসের সামনে জমায়েত করেন বলে অভিযোগ৷ রাস্তা অবরুদ্ধ করে রেখে তাঁরা সিইও মনোজকুমার আগরওয়ালের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক স্লোগানও দেন বলে অভিযোগ৷ সেই ঘটনার জেরেই মামলা রুজু করেছে পুলিশ৷ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা দেওয়া, বেআইনি জমায়েতের মতো অভিযোগ আনা হয়েছে৷
advertisement
প্রসঙ্গত, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে বেআইনি ভাবে ফর্ম সিক্স জমা করে অন্য রাজ্যের ভোটারদের নাম এ রাজ্যের ভোটার তালিকায় তোলা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে গত ৩০ মার্চ তৃণমূলের পক্ষ থেকে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়৷ তৃণমূল শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সিইও দফতরের সামনে দাঁড়িয়ে একই অভিযোগ তুলেছিলেন৷ দলের বিএলও-দের সিইও দফতরের সামনে বসে থেকে ফর্ম সিক্স জমার উপর নজরদারি চালানোরও নির্দেশ দেন অভিষেক৷
advertisement
তারপরেই গত ৩১ মার্চ বিরোধী দলনেতা সিইও দফতরে যান৷ তৃণমূলের অভিযোগ এর পরই বিজেপি-র পূর্ব মেদিনীপুরের এক নেতা ব্যাগ ভর্তি ফর্ম সিক্স নিয়ে সিইও দফতরে প্রবেশ করে জমা করেন৷ ওই বিজেপি নেতার উপরে চড়াও হন তৃণমূলপন্থী বিএলও এবং শাসক দলের কর্মী সমর্থকরা৷ তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, ওই বিজেপি নেতা প্রায় চারশো ফর্ম সিক্স জমা করার কথা স্বীকারও করে নেন৷
advertisement
এই উত্তেজনার মধ্যেই ঘটনাস্থলে বিজেপি কর্মী, সমর্থকরাও জড়ো হন৷ দু পক্ষ পরস্পরের দিকে তেড়ে যায়৷ তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়৷ কোনওক্রমে দু পক্ষকে আলাদা করে মাঝখানে ব্যারিকে়ড দিয়ে দেয় পুলিশ৷ ঘটনাস্থলে হাজির হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ এর পরেও ব্যারিকেড টপকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বাইক ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে৷ ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা থাকলেও এলাকায় যথেষ্টই উত্তেজনা রয়েছে৷
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Apr 03, 2026 3:37 PM IST










