• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • MAMATA BANERJEE ATTACKS BJP FOR GIVING MINISTERIAL BERTH TO JOHN BARLA DMG

Mamata Banerjee on John Barla: 'বাবুল তো আজকে খারাপ', জন বার্লাকে মন্ত্রী করায় বিজেপি-কে আক্রমণ মমতার

বিজেপি-কে আক্রমণ মমতার৷

বিষয়টি নিয়ে এ দিন প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জন বার্লার (John Barla) নাম না করেও বিজেপি-কে তীব্র আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)৷

  • Share this:

#কলকাতা: কয়েকদিন আগেই পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিতে সরব হয়েছিলেন৷ সেই জন বার্লাকেই এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়ে আসা হল৷ কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে আলিপুরদুয়ারের সাংসদকে৷ জন বার্লা পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবি তোলার পর জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছিল৷ সেই সময় বিষয়টিকে বার্লার ব্যক্তিগত মত বলেই দায় এড়িয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি নেতারা৷ ফলে পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবি নিয়ে বিজেপি-র অবস্থান স্পষ্ট হয়নি৷ এ দিন জন বার্লাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার স্পষ্ট, বিতর্কিত দাবির পর দলের তিরস্কারের মুখে না পড়লেও বড় পুরস্কারই পেলেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ৷

বিষয়টি নিয়ে এ দিন প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জন বার্লার নাম না করেও বিজেপি-কে তীব্র আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বাংলার আরও দুই সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় এবং দেবশ্রী চৌধুরীর ইস্তফা নিয়েও বিজেপি-কে খোঁচা দিয়েছেন তিনি৷ এ দিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আজকে বাবুল সুপ্রিয় খারাপ হয়ে গিয়েছে৷ ওই রাজবংশী মহিলাকেও (দেবশ্রী চৌধুরী) নাকি ইস্তফা দিতে বলেছে৷' জন বার্লার নাম না করেও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'ওরা কাকে মন্ত্রী করবে, কাকে সান্ত্রি করবে, কাকে তুলে আনবে, কাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবে, এটা ওদের দলের বিষয়৷ বিজেপি দলটা নিজেরাই সবথেকে বড় বিচ্ছিন্নতাবাদী৷ মানুষের সময় খারাপ হয় আর বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ হয় তখন এই সব শক্তিকেই খুঁজে বেরায়৷ কিন্তু এই সব শক্তি পাতে দেওয়ার যোগ্য নয়৷ এরা কোনও কাজে লাগবে না৷ এতে বিজেপি সন্তুষ্ট হতে পারে, কিন্তু মানুষের কোনও কাজে লাগবে না৷'

রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, জন বার্লার পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবি নিয়ে যতই বিতর্ক হোক না কেন, তাঁকে মন্ত্রী করে আদিবাসীদের মন জয় করা গেল৷ আবার শক্ত ঘাঁটি উত্তরবঙ্গ থেকে নীশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে আরও একজন সাংসদকেও মন্ত্রী করা গেল৷ ২০২৪ সালের কথা ভেবেই উত্তরবঙ্গে দলের রাশ আলগা হতে দিতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব৷ পৃথক রাজ্য হোক না হোক, অনুন্নয়নের জিগিড় তুলে সেই দাবি বজায় রাখতে পারলে তা যে তাঁদের রাজনৈতিক সুফল দেবে, তা বিজেপি রাজ্য নেতাদের মতো কেন্দ্রীয় নেতারাও বুঝে গিয়েছেন৷ তার উপর প্রকাশ্যে এই দাবির বিরোধিতা করলে দলেরই বহু বিধায়ক, নেতা বেঁকে বসতে পারেন৷ সেই আশঙ্কাও রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বের৷ এই সমস্ত অঙ্কেই সম্ভবত পৃথক উত্তরবঙ্গের মতো বিতর্কিত দাবি তুলেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়ে গেলেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ৷ তবে গত কয়েকদিন ধরে এই দাবি অবশ্য জন বার্লার মুখে আর শোনা যায়নি৷

Published by:Debamoy Ghosh
First published: