• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • MAHUA MOITRA ON GOVERNOR TMC MP ATTACKS JAGDEEP DHANKHAR ON ILLEGAL LAND ALLOTMENT ISSUE SANJ

Mahua Moitra On Governor :'বেআইনি আবাসন প্রকল্পের সুবিধে নেওয়াও কি সাংবিধানিক, আঙ্কেলজি?' মহুয়ার 'সততা' খোঁচা রাজ্যপালকে...

মহুয়া বনাম ধনখড় Photo : File Photo

তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) অভিযোগ করেন, বেআইনিভাবে আবাসনের জমি বরাদ্দের (Illegal Residential Land Allotment) সুবিধেভোগী ছিলেন জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) ৷ যদিও পরে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট সেই বরাদ্দ খারিজ করে দেয় ৷

  • Share this:

    #কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপাল শাসকদল সংঘাত জারি রয়েছে বেশ কিছুদিন যাবৎ। তবে উত্তাপের পারদ চরমে পৌঁছেছে সোমবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) উত্তরবঙ্গ সফর সেরে শহরে ফেরার পর। এবার আর শুধু শাসক দল নয়, খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্ফোরক অভিযোগ জানান সাংবাদিক বৈঠকে। ১৯৯৬ সালের হাওয়ালা-জৈন কেলেঙ্কারির চার্জশিটে জগদীপ ধনখড়ের নাম ছিল বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)৷ যদিও পরে সাংবাদিক বৈঠক করে সেই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন স্বয়ং রাজ্যপাল৷ কিন্তু রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বিতর্কিত রাত কাটতে না কাটতেই এবার রাজ্যপালকে আরও এক গুগলি দিয়ে বসলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) ৷ মহুয়ার অভিযোগ, বেআইনিভাবে আবাসনের জমি বরাদ্দের (Illegal Residential Land Allotment) সুবিধেভোগী ছিলেন ধনখড় ৷ যদিও পরে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট সেই বরাদ্দ খারিজ করে দেয় ৷ ট্যুইটে ফের রাজ্যপালকে 'আঙ্কেলজি' বলে খোঁচা দিয়ে এই সংক্রান্ত রায়ের প্রতিলিপিও তুলে ধরেছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ ৷

    মঙ্গলবার সকাল সকাল মহুয়ার ট্যুইট নতুন করে কী অস্বস্তি বাড়াচ্ছে রাজভবনে? তাঁর ট্যুইট বার্তাতে রাজ্যপালকে 'সততা ও ম্যাননিষ্ঠ্যতা' নিয়েও খোঁচা দিতে ছাড়েননি কথুকে মহুয়া মৈত্র। তিনি লেখেন, "'বিশুদ্ধতার প্রতীক' পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল বেআইনি আবাসন বরাদ্দের সুবিধেভোগী ছিলেন, যেটা পরে বাতিল করে দেয় পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের ফুল বেঞ্চ৷ এটা কি সাংবিধানিক ছিল, আঙ্কেলজি ?"

    নিজের ট্যুইটের সপক্ষে এই সংক্রান্ত রায়ের প্রতিলিপিও পোস্ট করেছেন তৃণমূল সাংসদ ৷ সেখানে দেখা যাচ্ছে, ১৯৯৭ সালের একটি মামলায় রায়দান করেছিল পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট৷ রায়ে বলা হয়েছিল, ডিসক্রিশনারি কোটায় যে জমি বরাদ্দ করা হয়েছিল, তার জন্য আবেদনকারীরা সেই জমি পাওয়ার যোগ্য কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়নি ৷ ওই জমি পাওয়ার জন্য আবেদনকারী কর্মক্ষেত্রে বিশিষ্ট কেউ কি না, বা দুঃস্থ কি না, তার উল্লেখ করেননি আধিকারিকরা৷ সেই জমি আবেদনকারীকে দেওয়া যাবে কি না, তার কোনও সরেজমিন তদন্ত হয়নি ৷ ফরিদাবাদ, গুরগাঁও ও পাঁচকুল্লার জমিগুলি বহু সাংসদ, হরিয়ানা, বিহার, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, নাগাল্যান্ড, গুজরাত, পঞ্জাবের নির্বাচিত বিধায়ক, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য ও তাঁদের সন্তানদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ৷ যাঁদের নামে জমিগুলি বরাদ্দ হয়েছে, তাঁদের মধ্যে জগদীপ ধনখড়ের নামও রয়েছে ৷ লাল কালি দিয়ে তা স্পষ্টভাবে দেখার সুবিধে করেও দিয়েছেন মহুয়া ৷

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: