শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি ! পেনসিলে নম্বর দেওয়া ছাড়াও একাধিক গুরুতর অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীদের

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি ! পেনসিলে নম্বর দেওয়া ছাড়াও একাধিক গুরুতর অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীদের

এত অভিযোগের পাহাড় ডিঙিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া কি আদৌ শুরু করা যাবে?

  • Share this:

#কলকাতা: উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির ভুরি ভুরি অভিযোগ। ২৫ অক্টোবর অভিযোগ জানানোর শেষ দিন। এত অভিযোগের পাহাড় ডিঙিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া কি আদৌ শুরু করা যাবে? নিউজ এইটিন বাংলার বিশেষ প্রতিবেদন। পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল সেই ২০১৫ সালে। অথচ পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগ এখনও শুরুই হয়নি। দীর্ঘদিন আইনি জটে আটকে ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। এবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে জমা হচ্ছে একের পর এক অভিযোগ। ইংরাজি, বাংলা, ভূগোল, ভৌতবিজ্ঞান, সব বিষয়েই নম্বরে গরমিলের অভিযোগ। এসএসসির নিয়ম অনুযায়ী টেটে প্রাপ্ত নম্বরের ৪০ শতাংশ, শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বরের ৪০ শতাংশ, প্রশিক্ষণের জন্য প্রাপ্ত নম্বরের ১০ শতাংশ, ইন্টারভিও ও পার্সোনালিটি টেস্টের ১০ শতাংশ নম্বর যোগ করে মেধাতালিকা তৈরি হওয়ার কথা।

শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রাপ্ত নম্বর ছাড়া সব বিভাগের নম্বরেই জালিয়াতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। বাংলা বিভাগের এক পরীক্ষার্থী টেটে ৬৬ শতাংশ নম্বর পান। নিয়ম অনুযায়ী মেধা তালিকায় তাঁর টেটে প্রাপ্ত নম্বরের ৪০ শতাংশ অর্থাৎ ২৬.৪ নম্বর পাওয়ার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তিনি পেয়েছেন ৩৪.৯৩। অর্থা‍‍ৎ ৮.৫৩ নম্বর বাড়ান হয়েছে। প্রার্থীদের একাংশের অভিযোগ, ইন্টারভিউয়ের নম্বর দেওয়া হয়েছে পেনসিলে। ফলে তা ইচ্ছেমত বাড়ান কমানো হয়েছে। শূন্যপদ নিয়েও রয়েছে ব্রিভ্রান্তি। শূন্যপদের সঠিক সংখ্যা না জানায়, প্রার্থীতালিকায় কত জনের নাম থাকা উচিত তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বেনিয়মের অভিযোগ জানানো যাবে। সব টপকে শেষ পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। ফের আইনি জটে আটকে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।

First published: October 21, 2019, 5:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर