Kunal Ghosh: সারদার সাঁতরাগাছি মামলাতেও ছাড় পেলেন কুণাল ঘোষ
- Published by:Siddhartha Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
রাজ্য পুলিশের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কুণালের আইনজীবী।
আবীর ঘোষাল, কলকাতা: সারদার অপর একটি, সাঁতরাগাছি থানার মামলায় কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের আনা প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ খারিজ করল এমপি-এমএলএ বিশেষ আদালত। এই ধারাগুলি সংক্রান্ত কুণালের কোনও অপরাধের প্রমাণ নেই বলে বিচারক মনজ্যোতি ভট্টাচার্য রায় দেন। তবে মামলার বাকি অংশের বিচার চলবে।
আপাতত কলকাতা হাইকোর্টের একটি নির্দেশে এই মামলা আবার হাওড়া জেলা মুখ্য বিচারবিভাগীয় বিচারকের এজলাসে চলে যাচ্ছে। কুণালের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত যা যা অভিযোগ রাজ্য পুলিশের সিট এনেছিল, আদালত তা খারিজ করেছেন। মামলার সামগ্রিক বিষয় নিয়ে বিচার চলবে। আপাতত মামলা হাওড়া কোর্টে ফিরে যাচ্ছে।’’
advertisement
advertisement
প্রসঙ্গত, এগারো দফা তলব এবং জেরার পর ২০১৩ সালের ২৩ নভেম্বর কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিল আইপিএস রাজীব কুমারের নেতৃত্বাধীন সিট । সারদার টাকা মিডিয়ায় ব্যবহার এবং শেষদিকে কর্মীদের বেতন না দেওয়ার অভিযোগ এনেছিল পুলিশ। এ ছাড়াও ছিল একাধিক অভিযোগ। কুণাল ঘোষ জানিয়েছিলেন, তিনি সম্পাদকীয় বিভাগের কর্মী ছিলেন। কোনওভাবেই আর্থিক বিষয়ে জড়িত নন। ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার মামলাটিতে পুলিশ তবুও চার্জশিট দেয়। এরপর কুণাল জামিন পেলেও ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে তাঁকে অন্যান্য বহু মামলায় যুক্ত করা হয়।
advertisement
সারদা কাণ্ডে যে মামলাটিতে প্রথম গ্রেফতার হয়েছিলেন কুণাল ঘোষ, অবশেষে জুন মাসে সেই মামলায় তাঁকে অভিযোগমুক্ত ঘোষণা করে এমপি-এমএলএ বিশেষ আদালত। এবার ফের স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক। এর আগে গত ১৬ জুন সারদা কেলেঙ্কারির প্রথম গ্রেফতারের মামলা থেকে মুক্তি পেয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তাঁকে গ্রেফতার করা ঠিক হয়নি বলে জানায় আদালত। বিধাননগরে সাংসদ ও বিধায়কদের বিশেষ আদালতের বিচারপতি মনজ্যোতি ভট্টাচার্য সেই নির্দেশ দিয়েছিলেন।
advertisement
আদালত জানিয়েছে, যে কারণ দেখিয়ে কুণালকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তা ঠিক নয়। এই রায়ের পরে খুশি কুণাল বলেছিলেন, ‘‘খুবই ভাল লাগছে। দু’জনকে ধন্যবাদ দেব। আমার আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী এবং হরিকে। রাখে হরি মারে কে!’’ ২০১৩ সালের এপ্রিলে সারদা কেলেঙ্কারির কথা প্রকাশ্যে আসে। ২৩ এপ্রিল কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার হন সংস্থার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন। তখন তৃণমূলের সাংসদ থাকা কুণাল সারদা পরিচালিত সংস্থায় চাকরি করতেন। ওই বছরেরই ২৩ নভেম্বর বিধাননগরের ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানা তাঁকে গ্রেফতার করে। সেটিই ছিল কুণালকে প্রথম গ্রেফতার। এর পরে পুলিশি হেফাজতে থাকা কুণালকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। সেই সব মামলা থেকে কুণাল এখনও মুক্তি পাননি। তবে প্রথম যে মামলাটি ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানা করে, সেটি (ইসিপিএস ৩৪) থেকে মুক্তি পেলেন কুণাল।
Location :
First Published :
Sep 06, 2022 10:09 AM IST











