Home /News /kolkata /
Kolkata News: 'টোপ' ফেলে প্রতারক পাকড়াও! খাস কলকাতায় সরকারি অফিসেই রমরমিয়ে জালিয়াতি চক্র? সতর্ক থাকুন!

Kolkata News: 'টোপ' ফেলে প্রতারক পাকড়াও! খাস কলকাতায় সরকারি অফিসেই রমরমিয়ে জালিয়াতি চক্র? সতর্ক থাকুন!

প্রতারক গ্রেফতার, নেপথ্যে কোন চক্র?

প্রতারক গ্রেফতার, নেপথ্যে কোন চক্র?

Kolkata News: সরকারি অফিসে দালালদের অবলীলায় বিচরণ সাধারণ মানুষের কাছে ধোঁয়াশা তৈরি করে। তাদের প্রতিটি টেবিলে অফিসারদের কাছে যাওয়া এবং আচার-আচরণ মানুষকে বিশ্বাস জুগিয়ে ফেলে। সেই বিশ্বাসে ঠকে, ওই অফিসে যাওয়া সাধারণ মানুষ। ঠকলেই সামনে আসে আসল কাহিনী।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

#কলকাতা: বিকেল পাঁচটা লালবাজারে ১০০নম্বরে এক মহিলা ফোন করে বলেন তিনি প্রতারিত হয়েছেন। প্রতারককে একটি সরকারি অফিসের মধ্যে বসিয়ে রেখেছেন। ফোন পাওয়ার পরই পুলিশের কুইক রেসপন্স টিম এবং হেয়ার স্ট্রিট থানার অফিসাররা ঘটনাস্থল পৌঁছয়। ঘটনাস্থল থেকে প্রতারককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে তারা।

ডালহৌসির 23এ  বিল্ডিংএর দশ তলায় ডাইরেক্টরেট অফ স্টাম্প রেভিনিউ ফিনান্স ডিপার্টমেন্ট রয়েছে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে শান্তনু চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তি নিজেকে রেজিস্টার(ADSR)বলে পরিচয় দিতেন। তিনি বিভিন্ন মানুষের জমি রেজিস্ট্রি করিয়েছিলেন। যার প্রত্যেকটি জাল দলিল।সেই দলিলে সরকারি সিল এবং ডিজিটাল সই প্রত্যেকটি জাল।

আরও পড়ুন : 'সবচেয়ে বিশিষ্ট বাম নেতা' জ্যোতি বসুর জন্মদিন, আজ থেকেই 'বড়' কাজ শুরু CPIM-এর!

সুমিত বিশ্বাস এবং সারঙ্গম চক্রবর্তী নামের দুই আইনজীবী নজরে আসে এটি। তাঁরা জমি রেজিস্ট্রি করিয়ে জানতে পারে দলিলগুলি জাল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্নভাবে শান্তনু চক্রবর্তীকে খোঁজ করলেও নাগালে পাচ্ছিল না তারা। সুমিত এবং সারঙ্গম দুজনে আরেকটি জমি রেজিস্ট্রি টোপ দেয় শান্তনুকে। এরপরে এদের প্রত্যেককে ডালহৌসির ওই অফিসে যাবার জন্য বলে শান্তনু। কিন্তু এর পরেই মোবাইলের সুইচটি বন্ধ করে দেয় প্রতারক শান্তনু।

তখনই সুমিতরা অন্য একজনকে দিয়ে ফোন করায় রেজিস্ট্রির জন্য। তাকে শান্তনু জানায় ২৩এ ডালহৌসিতে তার অফিসে যেতে বলে। সেই কথামতো শান্তনু, সারঙ্গম ও তার এক মহিলা সহকর্মী আইনজীবী সেখানে গিয়ে পৌঁছন। গিয়ে দেখেন শান্তনু চক্রবর্তী নিজের অফিসের মতো করে ওই অফিসে ঘোরাফেরা করছেন। তারপরে সবাই জানতে পারে শান্তনু চক্রবর্তী একজন প্রতারক এবং দালাল মাত্র।

আরও পড়ুন : "আমার কাছে লিস্ট আছে...", বিজেপি বিধায়কের মেয়ে-পুত্রবধূর চাকরি প্রসঙ্গে বিস্ফোরক দাবি দিলীপ ঘোষের!

এরপর কাল বিলম্ব না করে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ওই আইনজীবীরা কলকাতা পুলিশের লাল বাজারের ১০০ নম্বরে ডায়াল করে। মুহূর্তের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। শান্তনু চক্রবর্তীকে আটক করে নিয়ে যায় হেয়ার স্টেট থানাতে। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের পর শান্তনু তার অপরাধের কথা স্বীকার করে। অভিযোগ নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত শুরু করেছে। প্রতিক্ষেত্রে প্রকৃত স্ট্যাম্প পেপার ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করেছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, এই শান্তনু চক্রবর্তী একা নয়। এর সঙ্গে আরও অনেকে জড়িয়ে রয়েছে বলে অনুমান। অভিযোগকারীদের বক্তব্য,পুলিশ সঠিক তদন্ত করে বিষয়টিকে সামনে আনুক।

Published by:Sanjukta Sarkar
First published:

Tags: Kolkata News

পরবর্তী খবর