Home /News /kolkata /
Kolkata News: শহর জুড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ফাঁদ! সিইএসসি-র নজরদারির গাফিলতিতেই ঘটছে এমন?

Kolkata News: শহর জুড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ফাঁদ! সিইএসসি-র নজরদারির গাফিলতিতেই ঘটছে এমন?

শহর জুড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ফাঁদ! সিইএসসি-র নজরদারির গাফিলতিতেই ঘটছে এমন?

শহর জুড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ফাঁদ! সিইএসসি-র নজরদারির গাফিলতিতেই ঘটছে এমন?

Kolkata News: কলকাতা পুরসভার বাতিস্তম্ভেই শুধু নয়, বিজ্ঞাপনের খুঁটিও ক্রমশ হয়ে উঠেছে বিপজ্জনক।

  • Share this:

#কলকাতা: বিজ্ঞাপনের খুঁটিতেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে শহরে। সিইএসসি-র নজদারির অভাবেই ঘটছে এ ধরনের ঘটনা। কার্যত সিএসসিকে কাঠগড়ায় তুললেন কলকাতা পুরসভার মেয়র পরিষদ দেবাশিস কুমার।

কলকাতা পুরসভার বাতিস্তম্ভেই শুধু নয়, বিজ্ঞাপনের খুঁটিও ক্রমশ হয়ে উঠেছে বিপজ্জনক। কোথাও হুকিং কোথাও রক্ষণাবেক্ষণর অভাবের জের। সম্প্রতি বাইপাসের ধারে এক ভুট্টা বিক্রেতা এমনই বিজ্ঞাপনের খুঁটিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে হতে প্রাণে বেচেঁছেন। ১০০ নম্বর ডায়াল করে কলকাতা পুলিশ ও সিইএসসি-র লোকজনকে ডেকে এনে বিপদ মুক্ত করা গিয়েছে। এড়ানো গিয়েছে আরও একটি অবাঞ্ছিত মৃত্যু!

এই ধরনের ঘটনার পরে কলকাতা পুরসভা কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে চলেছে? এই প্রশ্নের উত্তরে কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার বলেন, "এক্ষেত্রে আমরা যখন বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলিকে লিজ দিয়ে থাকি সেখানে সিইএসসি বিদ্যুৎ সংযোগ আছে কি না দেখে নেওয়া হয়। তার বিনিময়ে বিদ্যুতের খরচ সংস্থা মেটায়। ফলে সিইএসসি-র দায় থাকে নজরদারি করা। তাঁদের লাইন থেকে কেউ বিদ্যুৎ চুরি করেছে কি না সেটা সরেজমিনে দেখার প্রয়োজন।  রক্ষনাবেক্ষন ঠিক হচ্ছে কি না সেটাও সিএসসি কর্তৃপক্ষকে দেখা প্রয়োজন।" কোথাও এমন ঘটনা ঘটলে অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন মেয়র পরিষদ দেবাশীষ কুমার।

কলকাতা পৌরসভার মেয়র পরিষদ দেবাশিস কুমার আরও বলেন, "বিজ্ঞাপন বিভাগের আধিকারিককে বলব সচেতন হতে। কোথাও এমন চুরির ঘটনা ঘটছে কি না নজরদারি রাখতে।"

রবিবার বাইপাসের মাঠ পুকুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন পথ চলতি মানুষজন। বাইপাসের সেই ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "পুরসভার লাইন থেকে বিদ্যুৎ চুরি হচ্ছে না। সমস্তটা হচ্ছে সিইএসসি র লাইন থেকে। এটা দেখার দায়িত্ব ওনাদের।"

কখনও ফুটপাতে কাজ করতে গেলে লাইট পোস্টের আর্থিং নষ্ট হয়ে যায়, বা পার্কে গাছের জন্য এমন হয়। সেক্ষেত্রে আলোক বিভাগ ও উদ্যান বিভাগের সমন্বয়ের একটা অভাব দেখা যায়। যার জেরে সেই সমস্ত কাজ মেরামতি হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। চলতি বর্ষার মরশুমে একের পর এক বিপদ এই সমস্ত ঘটনাগুলোকে আরও সামনে চলে এসেছে।

আরও পড়ুন- বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা রুখতে নয়া পদক্ষেপ কলকাতা পুরসভার, কিনতে চলেছে আর্থ টেস্টার যন্ত্র

এ বিষয়েও দেবাশিস কুমার জানান, বড় কাজের ক্ষেত্রে একটা ছোট্ট অংশ কেটে দেখা হয় কোথায় কী তার রয়েছে। তারপর পরিকল্পনা করে সেই কাজ করা হয় যাতে তারগুলো না কেটে যায়। ছোট কাজ টুকটাক লেগেই থাকে। কলকাতা বহু পুরনো শহর। সেখানে এই সমস্ত পুরনো এলাকায় কোথাও কোনো ঘটনা ঘটে যায়। এখন কয়েকটি বিপদ হয়েছে ফলে আমরা সচেতন হয়েছি। বিভাগের কর্মী অধিকারীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে বাতিস্তম্ভের কাছে কোনও কাজ করতে গেলে আরও সতর্ক ভাবে করার জন্য কর্মী আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। কোথাও কোন তার ছিঁড়ে বা কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে তথ্য জানাতেও নির্দেশ দেওয়া হয়।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published:

Tags: CESC, Kolkata

পরবর্তী খবর