সরকারি অর্থে CAA বিরোধী বিজ্ঞাপন কার নির্দেশে? ফের সুর চড়ালেন রাজ্যপাল

সরকারি অর্থে CAA বিরোধী বিজ্ঞাপন কার নির্দেশে? ফের সুর চড়ালেন রাজ্যপাল
রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়

সরকারি টাকায় সি এ এ বিরোধী বিজ্ঞাপন সম্পর্কে ইতিমধ্যেই রাজ্যের থেকে জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল। শনিবার রাজভবনের পাঠানো সেই চিঠি প্র?

  • Share this:

ফের রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত। এবার ঠিক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সভার ঠিক আগের দিনই রাজ্যের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এবার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় রাজ্য সরকারের দেওয়া বিজ্ঞাপন নিয়ে জানতে চাইল রাজ্যপাল। এই বিজ্ঞাপন সম্পর্কে সবিস্তারে জানতে চেয়ে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি সচিবকে চিঠি দিয়েছে রাজভবন। শনিবার রাজভবনে তরফে বিবৃতি দিয়ে সেই চিঠিটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। যাকে ঘিরে আবারও রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত চরমে উঠল বলেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জি বিরোধিতা করে গত বছরের শেষদিকে রাজ্য সরকারের তরফে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছিল। রাজ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জি চালু হবে না তা আশ্বস্ত করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেয় রাজ্য সরকার। সেই সিএএ বিরোধী সরকারি বিজ্ঞাপন ঘিরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপাল জাগদীপ ধনখড়ের নয়া সংঘাতের জায়গা তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, সরকারি অর্থ অপব্যবহার করে সিএএ বিরোধী প্রচার হচ্ছে বলে রাজ্যপালের কাছে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই নবান্নের কাছে রাজভবনের তরফে বেশ কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে।

রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি সচিবের কাছে চিঠি দিয়ে রাজভবন জানতে চেয়েছে সিএএ বিরোধী সেই বিজ্ঞাপন প্রকাশের অনুমতি কে দিয়েছিল? শুধু তাই নয় কবে থেকে কতদিন পর্যন্ত ওই বিজ্ঞাপনটি প্রচারিত হয়েছে তাও জানতে চাওয়া় হয়েছে। এই বিজ্ঞাপন দিতে সরকারি কোষাগার থেকে কত টাকা খরচ হয়েছে নবান্ন থেকে তাও জানতে চেয়েছে রাজভবন। শুধু তাই নয়় কত টাকা বিজ্ঞাপনের জন্য বকেয়া রয়েছে তার ও হিসেব চেয়েছে রাজভবন।

সিএএ বিরোধী বিজ্ঞাপনে বেশ কয়েকজন সরকারি আধিকারিককে দেখা গিয়েছিল। তাদেরও বিষয়ে তথ্য চেয়েছে রাজভবন। অন্যদিকে, সিএএ পাশ করার পর এই প্রথম কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয়় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার আগেই রাজভবনে তরফে এই চিঠির প্রকাশ্যে আনায়় রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত আরও বাড়লো বলেই মনে করা হচ্ছে।

Somraj Bandopadhyay

First published: February 29, 2020, 11:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर