• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • Gariahat Murder | Bangla news: গড়িয়াহাট জোড়া খুনে ৩ জন গ্রেফতার হলেও এখনও রয়েছে ধোঁয়াসা! উঠছে বেশ কিছু প্রশ্ন

Gariahat Murder | Bangla news: গড়িয়াহাট জোড়া খুনে ৩ জন গ্রেফতার হলেও এখনও রয়েছে ধোঁয়াসা! উঠছে বেশ কিছু প্রশ্ন

গড়িয়াহাট জোড়া খুনে ৩ জন গ্রেফতার হলেও এখনও রয়েছে ধোঁয়াসা! উঠছে বেশ কিছু প্রশ্ন

গড়িয়াহাট জোড়া খুনে ৩ জন গ্রেফতার হলেও এখনও রয়েছে ধোঁয়াসা! উঠছে বেশ কিছু প্রশ্ন

Gariahat Murder: গড়িয়াহাট জোড়া খুনে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে তিন জন। খুনের রহস্যের কিনারা করা গেলেও, এখনও বেশ কিছু ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: গড়িয়াহাট জোড়া খুনে (Gariahat Murder) এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে তিন জন। খুনের রহস্যের কিনারা করা গেলেও, এখনও বেশ কিছু ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এখনও। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কী কী প্রশ্ন উঠছে

- কী পাওয়ার আশায় মা মিঠু ও ছেলে ভিকি মিলে এই উচ্চবিত্ত কর্পোরেট কর্তাকে লুঠ করার পরিকল্পনা করে যার ফলস্বরূপ কর্পোরেট কর্তাকে খুন হতে হলো?

- লুঠ ও খুনের পর আদতে কী পায় ভিকি ও তার শাগরেদরা?

- গোয়েন্দাদের দাবি অনুসারে, ভিকি ও তার মায়ের উদ্দেশ্য ছিল লুঠ করা। তাহলে বাকি ধৃত বাপি ও জাহির এবং পলাতক অন্যান্য আততায়ীদের উদ্দেশ্য কী ছিল? অন্যান্য আততায়ীদের সুবীর চাকি ও ড্রাইভারকে হত্যার পিছনে কী কারন অর্থাৎ মোটিভ কী থাকত পারে?

- গোয়েন্দাদের দাবি, বাড়ি কেনার টোপ দিয়ে ভিকি নিজের পরিচয় গোপন করে, অন্য পরিচয় দিয়ে সুবীর চাকীকে ডেকে আনে। প্রশ্ন হলো ভিকির মতো ( ক্লাস এইট-নাইন পাস) ছেলের কথাবার্তা শুনে সুবীর চাকির মতো কর্পোরেট কর্তার কোথাও কোনও সন্দেহ হলো না?

- পুলিশের দাবি অনুসারে, বাড়ি বিক্রি টোপ দিয়ে ডেকে আনে ভিকি। তাহলে খুন কেন করতে হলো? কী এমন লুঠ করতে বাধা দেন যে তাঁদের দুজনকে হত্যা করতে হলো? ব্ল্যাকমেল এর কোনও বিষয় নেই তো? কাকুলিয়ার বাড়িতে এমন কী ছিল যা লুঠ করতে গিয়ে আততায়ীদের ২ জনের প্রাণ নিতে হল?

আরও পড়ুন- বাংলায় ফের ঊর্ধ্বমুখী কোভিড-গ্রাফ, দীপাবলির আগে সিঁদুরে মেঘ দেখছে প্ৰশাসন..

প্রসঙ্গত, গত রবিবার গড়িয়াহাটের কাঁকুলিয়া রোডের বাড়িতে খুন হন (Gariahat Murder) কর্পোরেট কর্তা সুবীর চাকী (Subir Chaki) ও তাঁর গাড়ির চালক রবীন মণ্ডল খুন হন। এই খুনের ঘটনায় প্রথমেই গ্রেফতার করা হয় পরিচারিকা মিঠুকে। মিঠু সুবীর চাকীদের বাড়িতে আগে পরিচারিকার কাজ করত। জানা যায় তার ছেলে ভিকি এই খুনে মূল অভিযুক্ত। তার উদ্দেশ্য ছিল খুন করে টাকা আদায় করার। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনায় আরও তিন জন লোক জোগাড় করে মিঠু।

খুনের পরে মা-কে ফোন করে ঘটনা জানায় ভিকি। পরের দিন মা মিঠুর সঙ্গে দেখা করে রক্তমাখা জামা ও ২টি ব্যাগ দেয় সে। ভিকি এখনও পলাতক। তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা থেকে আরও দুই শাগরেদ জাহির ও বাপিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভিকির খোঁজে তল্লাসি চলছে।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: