সুখবর, দুই লেনের বদলে চার লেন, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে খুলে দেওয়া হবে টালা ব্রিজ

নবনির্মিত টালা ব্রিজ প্রায় ১৯ মিটার চওড়া হবে। নতুন ব্রিজ তৈরি হলে টালা ট্যাঙ্কের জল সরবরাহের পাইপের বদল হবে।

নবনির্মিত টালা ব্রিজ প্রায় ১৯ মিটার চওড়া হবে। নতুন ব্রিজ তৈরি হলে টালা ট্যাঙ্কের জল সরবরাহের পাইপের বদল হবে।

  • Share this:

#কলকাতা: অবশেষে পথ ভোগান্তি শেষ হতে চলেছে ব্যারাকপুর, সোদপুর, কামারহাটি, ডানলপ, বরানগর সহ উত্তর শহরতলির বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের। কলকাতার সঙ্গে উত্তর শহরতলীর মূল যোগসুত্র বলতে টালা সেতু। হেমন্ত সেতু নামেও যা শহরবাসীর কাছে পরিচিত।

২০২০-র ফেব্রুয়ারি মাসে ভগ্নদশার কারণে টালা সেতু ভেঙে নতুন করে তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সময় থেকেই বন্ধ রয়েছে শহরের অন্যতম ব্যস্ত এই সেতু। ফলে উত্তর শহরতলির মানুষজনকে সড়কপথে কলকাতা পৌঁছতে লম্বা পথ অতিক্রম করতে হত।

লম্বা রাস্তা  পেরিয়ে গন্তব্যে  আসতে সময় লাগতো অনেক বেশি। এবার হবে  সেই যন্ত্রণার অবসান। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ হয়ে যাচ্ছে টালা সেতু নতুন করে নির্মাণের কাজ। ২০২২-র শুরুতেই জন সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে টালা সেতু। প্রায় ৮০০ মিটার লম্বা এই সেতু নতুন করে তৈরি করতে খরচ হচ্ছে ৩৬৫ কোটি টাকা। বদলে ফেলা হয়েছে সেতুর পুরনো নকশাও।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দুই লেনের টালা সেতু হচ্ছে এবার চার লেনের। ফলে এড়ানো যাবে টালা সেতুর চিরপরিচিত যানজটের ছবি। গতি বাড়বে যানবাহনের। ফলে আতঙ্কের টালা সেতু এখন নিশ্চিন্তে, নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর আশ্বাস দিচ্ছে শহরবাসীকে।

শনিবার টালা সেতু নির্মাণের কাজ পরিদর্শন করতে যান স্থানীয় বিধায়ক ও কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক মন্ডলীর সদস্য অতীন ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর গৌতম হালদার সহ কলকাতা পুরসভার ইঞ্জিনিয়ার ও সেতুর সঙ্গে যুক্ত নির্মাণ আধিকারিকরা। অতীন ঘোষ বলেন,"ফেব্রুয়ারি মাসে নব-নির্মিত টালা সেতু খুলে দেওয়া হলে শহরবাসীর যানজট যন্ত্রনা লাঘব হবে। চার লেনের সেতু তৈরি হওয়ায় এড়ানো যাবে যানজট।’’

স্থানীয় ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর গৌতম হালদার জানান, "নির্মাণ কাজে গতি আনতে রেলের সঙ্গে কলকাতা পুরসভার সমন্বয় সাধনের কাজে জোর দেওয়া হচ্ছে।"

নবনির্মিত টালা ব্রিজ প্রায় ১৯ মিটার চওড়া হবে। নতুন ব্রিজ তৈরি হলে টালা ট্যাঙ্কের জল সরবরাহের পাইপের বদল হবে। পাইপলাইনের কিছুটা অংশের জন্য রেললাইনের উপর তৈরি হবে। সেই কারণে রেলের কাছে প্রয়োজনীয় অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

PARADIP GHOSH

Published by:Debalina Datta
First published: