corona virus btn
corona virus btn
Loading

২১ দিন পর কাজ শুরু ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের এসপ্ল্যানেড থেকে বউবাজার অংশে      

২১ দিন পর কাজ শুরু ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের এসপ্ল্যানেড থেকে বউবাজার অংশে      
file photo

একাধিক কর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বন্ধ ছিল টানেল নির্মাণের কাজ

  • Share this:

#কলকাতা: ২১ দিন পর শুরু হল ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের কাজ। করোনার ধাক্কায়, ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ধর্মতলা থেকে বউবাজার অংশে মেট্রোর সুড়ঙ্গ নির্মাণের যারা কাজ করছিলেন তাদের মধ্যে প্রায় ৩০ জন কর্মী আধিকারিক আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনায়। এর ফলে গত ২১ দিন টানেল খোঁড়ার কাজ বন্ধ ছিল। করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, যার তত্ত্বাবধানে চলছিল এই কাজ সেই টানেল ইনচার্জ নিজেই। ফলে ফের পিছিয়ে যায় ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের ধর্মতলা থেকে শিয়ালদহ অংশের কাজ। নানা কারণে কাজ আটকে যাওয়ায় হতাশ কে এম আর সি এল এবং যারা এই অংশে প্রকল্প নির্মাণের দায়িত্বে আছেন সেই সংস্থার প্রতিনিধিরা।

গত বছর মেট্রোর সুড়ঙ্গ তৈরির সময় বউবাজারে ভেঙে পড়ে একের পর এক বাড়ি। তার জেরে দুটি টানেল তৈরির কাজ আটকে যায়। একটি টানেল বোরিং মেশিন চান্ডি এখনও মাটির নীচে বউবাজারে আটকে আছে। অপর টানেল বোরিং মেশিন উর্বী টানেল খোঁড়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। লকডাউনের জন্যে সেই কাজ দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকে। অবশেষে অনুমতি পেয়ে সেই কাজ শুরু হলেও তা ফের থমকে যায়। যে গতিতে কাজ এগোচ্ছিল তাতে কে এম আর সি এল আশাবাদী ছিল আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শিয়ালদহ অবধি টানেল পৌছানো যাবে। তারই মধ্যে এভাবে একাধিক কর্মী-আধিকারিক করোনা আক্রান্ত হয়ে যাওয়ায় ফের থমকে যায় সেই কাজ। এই অংশে যে সব কর্মী আধিকারিক কাজ দেখাশোনা করছিলেন, তাদের সংখ্যা প্রায় ১৫০ জন। এর মধ্যে কে এম আর সি এল'এর আধিকারিকরা যেমন ছিলেন তেমনি ছিলেন নির্মাণ সংস্থার আধিকারিকরাও।

মোট ৩ শিফটে এই কাজ করা হত। মাটির নীচে যে তাপমাত্রা তাতে কারও পক্ষে পিপিই পড়ে কাজ করা সম্ভব নয়। ফলে মাটির ২৫ মিটার নীচে নামার আগে তাদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হতো। মাস্ক ও গ্লাভস বাধ্যতামূলক সেখানে। কোভিড পরিস্থিতিতে তা আরও গ্রহণযোগ্য ছিল। এছাড়া স্যানিটাইজার ঘন ঘন ব্যবহার হতো। মাটির নীচে ওই জায়গায় যতটা দুরত্ব বজায় রাখা সম্ভব ততটা রেখেই কাজ চলত। এর পরেও কর্মীরা করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয় সংস্থাকে। ১৫০ জনকেই পাঠানো হয়েছিল কোয়ারেনটাইনে। টানেল সহ প্রকল্প এলাকা পুরোপুরি স্যানিটাইজ করা হয়েছে। আক্রান্তের মধ্যে টানেল ইনচার্জ নিজেই থাকায় সমস্যা বেড়েছে। আপাতত অত্যন্ত ধীরে ধীরে সেই কাজ হবে। সকলের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসার পরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে সংস্থা। আপাতত শিয়ালদহ থেকে ৫৫০ মিটার দূরে রয়েছে উর্বি।

ABIR GHOSHAL

Published by: Ananya Chakraborty
First published: August 1, 2020, 10:07 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर