• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • DURGA IDOL IS READY TO GO BERLIN DURING COVID 19 PANDEMIC DD

করোনার আতঙ্কের ছায়াতেই কুমোরটুলি থেকে মা দুর্গা রওনা দেবেন বার্লিনের উদ্দেশ্যে

সম্পূর্ণ ফাইবারে মা দুর্গার মূর্তি দিন কয়েকের মধ্যেই জাহাজে করে সিঙ্গাপুর হয়ে রওনা হয়ে যাবে বার্লিনের উদ্দেশ্যে।

সম্পূর্ণ ফাইবারে মা দুর্গার মূর্তি দিন কয়েকের মধ্যেই জাহাজে করে সিঙ্গাপুর হয়ে রওনা হয়ে যাবে বার্লিনের উদ্দেশ্যে।

  • Share this:

#কলকাতা: পুজো আর ১০০ দিনও বাকি নেই। কিন্তু করোনার কারণে বঙ্গে মাতৃ আরাধনার প্রস্তুতি এখনও তেমন ভাবে শুরু হয়নি। তার মধ্যেই কুমোরটুলি থেকে দুর্গা প্রতিমা প্রবাসে পাড়ি দেওয়া শুরু হয়ে গেছে। শিল্পী মিন্টু পালের তৈরি ঠাকুর জার্মানির বার্লিনে উদ্দেশ্যে রওনা হতে প্রস্তুত।করোনা ভাইরাসের জন্য চারিদিকে এখন ভীত সন্ত্রস্ত পরিবেশ। দীর্ঘদিন কার্যত লকডাউন চলছে রাজ্য জুড়ে। ব্যবসা বাণিজ্য প্রায় বন্ধ। কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। স্বাভাবিক ভাবেই অর্থ সংকটে ভুগছে পুজো কমিটি গুলো। ঠাকুর, মণ্ডপ তৈরি সহ পুজো সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ যারা করে থাকেন তারা যানবাহন বন্ধ থাকায় অনেকেই কলকাতায় এসে পৌঁছতে পারেননি।

একই সঙ্গে এখনও ভ্যাকসিন নিয়ে উঠতে পারেননি। তবুও পুজো তো হবেই। কিন্তু কেমন ভাবে হবে কত বাজেটে হবে সে সব নিয়ে পরিকল্পনায় ব্যস্ত কমিটি গুলো। এখনও পর্যন্ত গুছিয়ে উঠতে পারিনি অনেক পুজো কমিটির কর্মকর্তারা। তার ছবি স্পষ্ট লক্ষ্য করা যাচ্ছে কুমোরটুলিতে। একই সঙ্গে বিদেশ থেকে ঠাকুর বরাতের সংখ্যাও এবার অনেক কম। মৃৎশিল্পী মিন্টু পাল বলেন, 'করোনার জন্য কবে থেকে আন্তর্জাতিক বিমান জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হবে তা স্পষ্ট নয়। তাই বিদেশের পুজো কমিটি গুলো এবার এই অনিশ্চয়তার জন্য ঠাকুর অর্ডার দেয়নি।'তবে তার মাঝেই দু'চারটে ঠাকুরের বরাত এবার পেয়েছেন কুমোরটুলির শিল্পীরা।

বার্লিনের বাঙালিরা এবার নতুন একটি পুজো আয়োজন করতে চলেছে। তারা মিন্টু পালের কাছে ঠাকুর তৈরির বরাত দিয়েছে। তিনি বলেন, 'অন্যান্য বার বিদেশে বেশ কয়েকটা করে ঠাকুর পাঠিয়ে থাকি। কিন্তু এবার সংখ্যাটা মাত্র দুই।' দুটির মধ্যে একটি এসেছিল আমেরিকার নিউ জার্সি থেকে। সেই ঠাকুর অনেক দিন আগেই পৌঁছে দিয়েছেন শিল্পী। আর দ্বিতীয়টি এসেছে জার্মানির বার্লিনে থেকে। সম্পূর্ণ ফাইবারে মা দুর্গার মূর্তি দিন কয়েকের মধ্যেই জাহাজে করে সিঙ্গাপুর হয়ে রওনা হয়ে যাবে বার্লিনের উদ্দেশ্যে।

SOUJAN MONDAL

Published by:Debalina Datta
First published: