• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • পুজোর আগেই বিধাননগরে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে পরিশুদ্ধ পানীয় জল

পুজোর আগেই বিধাননগরে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে পরিশুদ্ধ পানীয় জল

১১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে হয়েছে এই প্রকল্পের কাজে

১১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে হয়েছে এই প্রকল্পের কাজে

১১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে হয়েছে এই প্রকল্পের কাজে

  • Share this:

    #কলকাতা: পুজোর আগেই বিধাননগর বাসীদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে পরিশুদ্ধ পানীয় জলের পরিষেবা৷ ৩ অক্টোবর এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন পুরও নগর উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম৷ ১১৬ কোটি টাকা ব্যয় করে এই প্রকল্পের কাজ চলছে প্রথম বৈশাখী আইল্যান্ডের কাছে৷ দুটি ভূর্গস্ত জলধারা চার উচ্চ জলধারা থেকে বিধান নগর এলাকায় ৭০ কিলোমিটার পাইপলাইন করে বাসিন্দাদের বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়া হবে৷ নিউটাউনে হিটকো নির্মিত জল শোধনাগার থেকে সল্টলেক বৈশাখী জল প্রকল্পে যাবে৷ যেখানে প্রথম পর্যায়ে বিধাননগরে ছটি ওয়ার্ডে আড়াই লক্ষ মানুষ এই পরিষেবা পাবেন৷ পরবর্তী সময়ে বিধাননগরের বাকি সব কটি ওয়ার্ড এবং রাজারহাট নিউটাউনের বাসিন্দারা এই পানীয় জলের পরিষেবা পাবেন৷

    সমস্ত প্রকল্প রূপায়নের দায়িত্বে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির৷ প্রথম পর্যায়ের কাজে বৈশাখী আইল্যান্ডের কাছে পানীয় জলের রিজার্ভার বসানো হয়েছে৷ দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও কাজ শুরু হবে৷ আপাতত ৪ মিলিয়ন গ্যালন জল নিয়ে আসা হয়েছে৷ আরও চার মিলিয়ন গ্যালন জল নিউ টাউন থেকে সল্টলেক যাবে যখন পুরোপুরি শুরু হবে কাজ৷ ৩২ মিলিয়ন গ্যালন জল রিজার্ভার করার ব্যবস্থা থাকবে৷ এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিধান নগর পৌরনিগম করেন তখন কথা দিয়েছিলেন যে জলের সমস্যা মেটাবেন৷ পরিশুদ্ধ জলের যে একটা সমস্যা ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তা আমরা মানুষের জন্য করতে পেরেছি৷ রাজারহাটের দিকেও কয়েকটা ওয়ার্ডে জল যাবে ৷ আরও একটা প্রকল্প প্রস্তুত রয়েছে যেটা করলে রাজারহাটের দিকে আমরা পরিপূর্ণ ভাবে জল দিতে পারব৷ সেটা তৈরি করতে এক বছর সময় লাগবে৷

    পাশাপাশি বিধাননগর পৌরনিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী জানান, পৌরনিগম তৈরি হওয়ার আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে বিধান নগরের জল নিয়ে ওয়াটার রিজার্ভ তৈরি করার কথা বলেছিলাম৷ এই বিষয়টি একাধিকবার  বলা হয়েছিল৷ সে কাজটা হয়েছে শেষ পর্যন্ত৷ বিধাননগর বাসীর ক্ষেত্রে এতে অনেকটাই ভাল হবে৷ সাময়িকভাবে বিধাননগর বাসীরাও এই পরিষেবা নিয়ে অনেকটাই খুশি৷ তারা জানাচ্ছেন যে, জল নিয়ে তাদের যে একাধিক সমস্যা ছিল সেই সমস্যাটা আর থাকবে না৷

    Anup Chakroborty

    Published by:Pooja Basu
    First published: