• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • COVID19 MAKES KOLKATA PUJO FUTURE BLEAK KUMARTULI ARTISANS RELY ON OVERSEAS IDOL ORDERS PBD

Durga Puja in COVID times: করোনা আতঙ্কে এবছরও মন্দা কলকাতার পুজোর বাজার, বিদেশে প্রতিমা পাঠিয়ে আয়ের আশা শিল্পীদের

দুর্গাপুজো

গত বছর থেকেই আয়ে টান পড়েছে প্রতিমা শিল্পীদের৷ কারণ ২০২০ দুর্গাপুজোয়ে তেমন সাড়া মেলেনি৷

  • Share this:

    #কলকাতা: করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে ইতিমধ্যেই৷ ফলে এবছরও কলকাতায় দুর্গাপুজো (Durga Puja in COVID times) নিয়ে দোলাচলে উদ্যোক্তাদের৷ একই সঙ্গে কুমোড়পাড়ায়ও দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে৷ কলকাতার পুজো নিয়ে খুব বেশি আশার আলো দেখছেন না কুমারটুলির শিল্পীরা (Kumartuli)৷ কারণ করোনা আবহে অধিকাংশ বড় বাজেটের পুজো বাতিল হতে পারে৷ গতবছরের মতোই নিয়মরক্ষার্থে দুর্গাপুজো করতে পারে কলকাতার বড় ক্লাবগুলি৷ ভিড়ে বা প্যান্ডেল হপিং-এ নিষেধাজ্ঞার থাকলে, সেভাবে পুজো নিয়ে মাথা ব্যাথা থাকবে না উদ্যোক্তাদের৷ যার জেরে সেই নমঃ নমঃ পুজোর পথেই হাঁটতে চাইবেন তাঁরা৷ এর প্রভাব পড়ছে কুমারটুলিতেও৷ বেশির ভাগ ক্লাব তাদের অগ্রিম বুকিং বাতিল করেছে৷ কেউ আবার এখনও পর্যন্ত দুর্গা প্রতিমা অর্ডার দেওয়ায় সেভাবে আগ্রহ দেখায়নি৷ বরাত পাচ্ছেন না কোনও শিল্পী৷ আগামিদিনে কোনও বড় নজরকাড়া প্রতিমা বিক্রির সম্ভাবনা কম৷ তাই বছরের এই সময় রোজগারের আশাও ক্ষীণ প্রতিমা শিল্পীদের৷

    তবে বিদেশের দুর্গাপুজো আশা জাগাচ্ছে প্রতীমা শিল্পীদের মনে৷ আমেরিকা ও ইংল্যান্ডে করোনার দাপট কমার ফলে কিছুটা হলেও স্বাভাবিক হয়েছে জীবন৷ ছন্দে ফিরছে জীবনের গতি৷ তাই এই সব জায়গায় বাঙালি সংগঠনগুলি পুজোর আয়োজন শুরু করেছে৷ কুমারটুলিতে প্রতিমারও অর্ডার এসেছে৷ আপাতত মা-কে বিদেশে পাঠিয়েই আয়ের স্বপ্ন দেখছেন শিল্পীরা৷ এই মাস থেকে সমুদ্র পথে বা বিমানে দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে বিদেশে৷

    আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও ইতালিতে ১২টি ফাইবারগ্লাসের প্রতিমা পাঠিয়েছেন প্রতিমা শিল্পী কৌশিক ঘোষ৷ তাঁর তৈরি আরও বেশ কিছু প্রতিমা উড়ে যাবে দক্ষিণ আফ্রিকা, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায়৷ এরফলে গতবারের তুলনায় আয় কিছুটা বেড়েছে, বলছেন কৌশিক ঘোষ৷ অন্য এক শিল্পী বাসুদেব পাল বলছেন যে, তাঁর তৈরি প্রতিমা পৌঁছে গিয়েছে জার্মানি৷ জাপানের টকিও শহরে পাড়ি দেবে তাঁর তৈরি প্রতিমা৷

    ছ’ফুটের ফাইবারগ্লাসের প্রতিমার ওজন ২০০ থেকে ২৫০ কেজি৷ যা খুব সহজেই বিদেশে পাঠানো যায়৷ খুব ভাল করে বাবল শিটে মুড়ে কাঠের বাক্সে তা পাঠানোর ব্যবস্থা করেন শিল্পীরা৷ এর সঙ্গে এখন জুড়েছে স্যানিটাইজের রীতি৷ সাধারণত কাজের চাপ থাকলে বিদেশে প্রতিমা পাঠানো হয় এপ্রিল-মে মাসে৷ কারণ তারপর থেকে শুরু হয় কলকাতার প্রতিমা তৈরির কাজ৷ তবে এবছর সেই চাপ নেই৷ তাই ধীরে সুস্থে কাজ করছেন শিল্পীরা৷ ইতিমধ্যেই বহু জায়গায় প্রতিমা পাঠানোর কাজ শেষ হয়েছে৷

    গত বছর থেকেই আয়ে টান পড়েছে প্রতিমা শিল্পীদের৷ কারণ ২০২০ দুর্গাপুজোয়ে তেমন সাড়া মেলেনি৷ এরপর সরস্বতি পুজোতে করোনার প্রভাবে বাজার মন্দাই ছিল৷ এখন বিদেশের প্রতিমা পাঠিয়ে কিছুটা হালে পানি পাওয়ার চেষ্টা করছেন শিল্পীরা৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: