করোনা আতঙ্কে হোস্টেল খালি করার হুড়োহুড়ি পড়ুয়াদের মধ্যে

করোনা আতঙ্কে হোস্টেল খালি করার হুড়োহুড়ি পড়ুয়াদের মধ্যে

মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত কলকাতা,যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি, রবীন্দ্রভারতী সহ একাধিক কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবাসিক রা হোস্টেল খালি করেছেন।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা আতঙ্কে এবার হোস্টেল খালি করার হুড়োহুড়ি পড়ুয়াদের মধ্যে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭০ শতাংশেরও বেশি পড়ুয়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল খালি করে বাড়ি চলে গিয়েছেন। অন্তত মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত  কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকা গুলির বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আধিকারিকরা এমনই দাবি করছেন। ইতিমধ্যেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি হোস্টেলের বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রী মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত হোস্টেল খালি করে বাড়ি চলে গিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর ৭০শতাংশেরও বেশি পড়ুয়া মঙ্গলবার পর্যন্ত হোস্টেল খালি করেছে।

অন্যদিকে সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে কোন নির্দেশ বিশ্ববিদ্যালয় গুলি না পাওয়ায় এখনও পর্যন্ত হোস্টেল খালি করার নির্দেশ দেয়নি তারা। কিন্তু শনিবারের পর থেকেই করানো আতঙ্কে হোস্টেল খালি করতে শুরু করেছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। তবে হোস্টেল খালি করতে চাইলেও সমস্যা তৈরি হয়েছে ট্রেন ও বিমানের টিকিট নিয়ে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ি ফিরে যেতে বিশেষ ব্যবস্থা ও করছে।

গত শনিবারই মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে রাজ্যের স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত ছুটি দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। ছুটির ঘোষণা করা হলেও  ছাত্র-ছাত্রীরা হোস্টেল খালি করবে নাকি সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তরফে জানানো হয় পড়ুয়ারা চাইলে বাড়ি চলে যেতে পারেন। শনিবারের পর ছাত্রছাত্রীরা হোস্টেল খালি করতে না চাইলেও সোমবারে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী হোস্টেল খালি করে বাড়ি চলে যাচ্ছেন প্রসঙ্গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়় গুলিতে ১৫ ই এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি থাকবে বলে ঘোষণা করেন। তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হোস্টেল গুলো খালি করার নির্দেশ দেন।

মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত কলকাতা,যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি, রবীন্দ্রভারতী সহ  একাধিক কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবাসিক রা হোস্টেল খালি করেছেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলগুলোতে ইতিমধ্যেই খাবার রান্না করা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যার জেরে পড়ুয়াদের বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ জানান যেহেতু হোস্টেল থেকে অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী চলে গেছেন তাই হোস্টেলে রান্না বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রবীন্দ্রভারতী,কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছবিটা একই রকম।

 
First published: March 17, 2020, 4:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर